তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জিতলেন যারা - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মাভাবিপ্রবিতে পদার্থ বিজ্ঞানে গবেষণা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে থাকতে হবে : নজরুল ইসলাম খান কিশোরি ধর্ষনের অভিযোগে ঘিওরে কথিত সাংবাদিক কামাল গ্রেপ্তার পুঠিয়ায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পুরুষের দায়িত্ব ও ভূমিকা বিষয়ক আলোচনা সভা লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক
তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জিতলেন যারা

তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জিতলেন যারা

UP Election-2019

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে সোমবার ১১৬টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হয়। আর আগের রাতে ভোট দেওয়ার অভিযোগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। রোববার বিকেল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়। এর পর একে একে বিভিন্ন উপজেলার ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ৩২ জন প্রার্থী বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন ১৬ জন।

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান হলেন যারা : রংপুর সদরে নাছিমা জামান ববি; সাতক্ষীরা সদরে আসাদুজ্জামান বাবু, তালায় ঘোষ সনৎ কুমার, আশাশুনিতে এবিএম মোস্তাকিম, দেবহাটায় আবদুল গণি ও শ্যামনগরে এসএম আতাউল হক দোলন; কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অ্যাডভোকেট এজাজ আহমেদ মামুন, মিরপুরে কামরুল আরেফিন, ভেড়ামারায় আক্তারুজ্জামান মিঠু, কুমারখালীতে আবদুল মান্নান খান; মেহেরপুরের গাংনীতে এমএ খালেক; মাগুরা সদরে আবু নাসির বাবলু; বরিশালের উজিরপুরে আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু, বাবুগঞ্জে কাজী ইমদাদুল হক দুলাল; ঝালকাঠি সদরে খান আরিফুর রহমান, রাজাপুরে মো. মনিরুজ্জামান ও কাঁঠালিয়ায় মো. এমাদুল হক মনির; কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইয়াছির মিয়া ও ভৈরবে সায়দুল্লাহ মিয়া; লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মনির হোসেন চৌধুরী, রায়পুরে মামুনুর রশিদ; চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, বোয়ালখালীতে নূরুল আলম ও বাঁশখালীতে চৌধুরী মো. গালিব; মাদারীপুরের রাজৈরে মোতালেব মিয়া, মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাবিবুর রহমান ও দৌলতপুরে নুরুল ইসলাম রাজা, চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাব্বুল হোসেন,

শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটি উপজেলায় নির্বাচনের আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এঁরা হলেন শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আবুল হাসেম তপাদার, জাজিরা উপজেলায় মোবারক আলী শিকদার, নড়িয়া উপজেলায় একেএম ইসমাইল হক, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় হুমায়ুন কবির মোল্যা ও ডামুড্যা উপজেলায় আলমগীর হোসেন মাঝি।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা : মাগুরার শ্রীপুরে মাহমুদুল গণি শাহীন, মহম্মদপুরে আব্দুল্লাহেল কাফি ও শালিখায় অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন; সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে সাঈদ মেহেদী ও কলারোয়ায় আমিনুল ইসলাম লাল্টু; লক্ষ্মীপুর সদরে একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, রামগতিতে শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ও কমলনগরে মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পী; বরিশালের হিজলায় বেলায়েত হোসেন ঢালী; চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আব্দুর জব্বার চৌধুরী; কক্সবাজারের পেকুয়ায় জাহাঙ্গীর আলম, মহেশখালীতে শরীফ বাদশা, রামুতে সোহেল সরওয়ার কাজল ও টেকনাফে নূরুল আলম; মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মুশফিকুর রহমান হান্নান ও শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ফজলুর রহমান

রোববার দেশের ২৫ জেলার ১১৬টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলে। অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন উপজেলায় কয়েকজন প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তৃতীয় ধাপে ১২৭টি উপজেলা পরিষদে ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আদালতের নির্দেশে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়। নরসিংদী সদর ও কক্সবাজার সদর উপজেলার ভোট চতুর্থ ধাপে স্থানান্তর করে ইসি। আর তিন পদের কোনো পদেই প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ছয়টি উপজেলা পরিষদে ভোট গ্রহণ করা হয়নি।

সব মিলিয়ে আজ ১১৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠায় ভোট শুরুর দুই ঘণ্টা পর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলায় সবকটি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

১১৭ উপজেলার মোট ভোটার ও প্রার্থী : তৃতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার এক কোটি ১৮ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫১ জন। ৯২৯৮টি ভোটকেন্দ্রের ৫৮ হাজার ৫২৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এক হাজার ৩২৩ জন। তাঁদের ভেতরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৩৪০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৫৮৪ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৩৯৯ জন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৫৫ জন : তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে মোট ৫৫ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের ভেতরে ৩৩ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, নয়জন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ১৩ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েছেন। তৃতীয় ধাপে রংপুর সদর, গোপালগঞ্জ সদর, মানিকগঞ্জ সদর ও মেহেরপুর সদরে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply