জাককানইবি'তে প্রথমবার "প্রমোটিং পিচ, টলারেন্স এন্ড ডাইভার্সিটি" কর্মশালা অনুষ্ঠিত - Nobobarta

আজ বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন

জাককানইবি’তে প্রথমবার “প্রমোটিং পিচ, টলারেন্স এন্ড ডাইভার্সিটি” কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জাককানইবি’তে প্রথমবার “প্রমোটিং পিচ, টলারেন্স এন্ড ডাইভার্সিটি” কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • 82
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    82
    Shares

মনিরা নুসরাত ফারহা, জাককানইবি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) স্হানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগ, IFES, UKAID এবং INLEPT এর যৌথ উদ্যোগে “প্রমোটিং পিচ, টলারেন্স এন্ড ডাইভারসিটি” বিষয়ক Student’s Against Violence Everywhere (SAVE) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (১৯জুন) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৫ম তলায় এ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়ার্কশপটি আয়োজন করেন স্হানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের অধ্যাপক মো.সাদিক হাসান শুভ, আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো.অাইনুল ইসলাম।এছাড়া অতিথি হিসেবে ছিলেন স্হানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও বিভিন্ন বিভাগের ৩০জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহন করে।

ওয়ার্কশপটি বর্তমান সময়ের জন্য একটি যুগোপযোগী এবং শিক্ষণীয় ছিলো। গনতন্ত্র, দ্বন্দ্ব, হিংস্রতা, শান্তি, অধিকার, দায়িত্ব, মানুষ কোথায় দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত হয়, কেন হয় এবং সমাজ থেকে বিভিন্ন প্রকারের এই দ্বন্দ্ব গুলো হ্রাস করতে করণীয় কি? নেতা কারা? একজন আদর্শ নেতার গুনাবলি কি? এইসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা এই ওয়ার্কশপ থেকে জানতে পারে। কর্মশালাটি সম্বন্ধে অায়োজক সাদিক হাসান শুভ বলেন, “একটি সমৃদ্ধ সমাজ গঠণ করতে সহিষ্ণুতার বিকল্প নাই। সমাজে সকল বিশ্বাসের মানুষ যেন নিজের স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা নিয়ে স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে পারে তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে INLEPT । যদি সকলের সহযোগীতা পায় তাহলে এমন একটি সমাজ গঠনে INLEPT আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করি।”

আরও স্হানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মো.ফারুক মিয়া বলেন, “SAVE ওয়ার্কশপ এর মাধ্যামে আমরা গনতন্ত্র, দ্বন্দ্ব, হিংস্রতা, শান্তি, আদর্শ নেতার গুণাবলী, ইত্যাদি সম্পর্কে আমার জানতে পারলাম। ওয়ার্কশপের এই ধারনা গুলো আমাদের মাঝে একটি সহনশীল সুশীল সমাজ গঠনে সাহায্য করবে। এই ওয়ার্কশপের মাধ্যমে আমরা সমাজের প্রতিটা স্তরের মানুষের মাঝে টলারেন্স, বৈষম্য, শান্তি ইত্যাদি বিষয় গুলো পৌঁছাতে পারবো এবং সমাজ ও দেশ থেকে আমরা বৈষম্য, বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব ইত্যাদি কমাতে পারবো। এক্ষেত্রে SAVE ওয়ার্কশপের কার্যপদ্ধতি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে”।

ওয়ার্কশপ শেষে ৩০জনকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় এবং এই SAVE ওয়ার্কশপ থেকে পাওয়া শিক্ষা যেন এখানেই থেমে না থাকে ভবিষ্যতে যেন এই কাজ আরও বেগবান হয় সেজন্য এই ৩০জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকেই ১৫জন নিয়ে একটু পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করে দেয়া হয়।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply