চবিতে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” নিয়ে ভিসি প্রো-ভিসি মতবিরোধ – Nobobarta

আজ শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
রাজাপুরে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮ রাজাপুরে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ অনুষ্ঠিত মহিউদ্দিন সভাপতি, আবু বকর সম্পাদক উদয় সমাজ কল্যান সংস্থার ১২ তম ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন ১০ ডিসেম্বর উপাচার্যের দুর্নীতির ক্ষতিয়ান প্রকাশ করবে আন্দোলনকারীরা মার্শাল আর্ট ‘বিচ্ছু’ নিয়ে আসছেন সাঞ্জু জন আজ উদয় সমাজ কল্যান সংস্থা সিলেটের ১২তম ওয়াজ মাহফিল দলীয় কার্যালয় সম্প্রসারণের লক্ষে আগৈলঝাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির প্লট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর যবিপ্রবিতে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠন আটোয়ারীতে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত
চবিতে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” নিয়ে ভিসি প্রো-ভিসি মতবিরোধ

চবিতে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” নিয়ে ভিসি প্রো-ভিসি মতবিরোধ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’র (গবেষণা কেন্দ্র) উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে দায়িত্ব নেন স্বয়ং চবি ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। অপরদিকে বিষয়টি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়নি বলে মনে করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।

বৃহস্পতিবার সকাল ১২ টায় দায়িত্ব নিয়ে নিজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির তৃতীয় তলায় চবি ভিসি ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ উদ্বোধন করেন। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর বর্ণিল জীবন চরিত নিবিড়ভাবে পাঠ, পঠন, চর্চা ও গবেষণার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার (গবেষণা কেন্দ্র)’ প্রবর্তন করা হয়েছে। বেতন-ভাতাসহ নীতিমালায় থাকা কোন ধরণের সুযোগ-সুবিধা না নিয়েই চবি উপাচার্য এ দায়িত্ব নেন।

চবি ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ প্রতিষ্ঠা একটি অবিস্মরণীয় উদ্যোগ। যারা এ নীতিমালা করেছেন তারাই আমাকে এই চেয়ার মনোনীত করেছেন। যারা নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, তারা যদি মনে করেন এই চেয়ার আমাকে দেবে সেক্ষেত্রে কোনো বিতর্ক থাকতে পারে না। আমিও চাই যে এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক না হোক। যারা বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু চেয়ারকে নিয়ে বিতর্ক করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হবে।

এ বিষয়ে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, এ দায়িত্ব কাউকে দিতে হলে বিষয়টি একাডেমিক কাউনসিলে এবং সিন্ডিকেটে পাশ হতে হয়। কিন্তু এ সবের কোন কিছুই মানা হয়নি এখানে। শুধুমাত্র এ পদ পরিচালনার এবং এর বাজেট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাছাড়া নীতিমালা তৈরি হওয়ার পর একাডেমিক কাউন্সিলের কোনো মতামত না নিয়ে সিন্ডিকেটে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।

তিনি আরো বলেন, আমি ভিসি মহোদয়কে ব্যক্তিগতভাবে বলেছি ‘আপনার সঙ্গে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালন কালে কোন মতপার্থক্য দেখা দেয়নি তবে এই বিষয়টিতে বঙ্গবন্ধুর নাম জড়িয়ে আছে তাই এখানকার কোন অনিয়ম আমি মেনে নিতে পারি না। তাছাড়া আপনি তো এক দেড় বছর ধরে বঙ্গবন্ধু নিয়ে লেখালেখি করছেন। তাই আপনার থেকে যারা এ বিষয়ে এগিয়ে তাদের কাউকে নিয়োগ দেন।


Leave a Reply