গুজবের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর – Nobobarta

আজ শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আজ উদয় সমাজ কল্যান সংস্থা সিলেটের ১২তম ওয়াজ মাহফিল দলীয় কার্যালয় সম্প্রসারণের লক্ষে আগৈলঝাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির প্লট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর যবিপ্রবিতে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠন আটোয়ারীতে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত জবি রোভার দলের হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণের উদ্বোধন মারুফ-তানহার ‘দখল’ লক্ষ্মীপুরে রামগতি পৌরসভায় ৮ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতি চেষ্টার অভিযোগ নলছিটিতে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার সভাপতি সরফরাজ, সম্পাদক লিটন রাজাপুরে আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত সহকারী পরিচালক সমিতির নির্বাচন আগামীকাল!!
গুজবের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গুজবের অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাঝে মাঝে আমরা দেখি, অনেক সময় অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়। আমি সবাইকে একটা কথা বলব এই অপপ্রচারে কান দেবেন না। আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান এবং ২০১৯-২০ সালে সশস্ত্র বাহিনীর শান্তিকালীন সেনা/নৌ/বিমানবাহিনী পদক এবং অসামন্য সেবাপদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। দেশের মানুষ ভালো আছে। তার পরও একটি গোষ্ঠী চাল নেই, লবণ নেই বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মানুষের মধ্যে বিভান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। যা হোক এসব মোকাবেলা করে আমাদের চলতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে, প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে, সে লক্ষ্যে আমরা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করছি। যাদের ঘর নেই, তাদের ঘর দিচ্ছি। যাদের জমি নেই, তাদের জমি দিচ্ছি। গুচ্ছগ্রাম, আদর্শ গ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেককে পুনর্বাসন করছি। শেখ হাসিনা বলেন, গরিবের সন্তানরা যেন লেখাপড়া করতে পারে, সেজন্য বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছি। বিনা পয়সায় ছেলে-মেয়েদের বই দেয়া হচ্ছে। আজকের শিক্ষার্থীরা যাতে লেখাপড়া শিখে মানুষ হতে পারে, তারা যেন এ দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে, সে জন্যই আমরা এ কাজগুলো করছি।

সারাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা আপনাদের সন্তান, নাতি-পুতিদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলবেন। তারা যেন মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারে। দেশকে ভালোবাসতে পারে। যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। বাঙালি বীরের জাতি, এ কথা যেন নতুন প্রজন্মের সন্তানরা জানতে পারে। ভবিষৎ প্রজন্ম বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। কারণ, আমরা বীরের জাতি। বঙ্গবন্ধু তার ৭ মার্চের ভাষণে বলেন, ‘বাঙালি জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’। চিহ্নিত না হওয়া গণকবরগুলো খুঁজে বের করার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যেখানে যেখানে গণহত্যা হয়েছে সেই গণহত্যার কবরগুলো খুঁজে বের করা। যেখানে যেখানে গণহত্যা হয়েছে সেই জায়গাগুলো সংরক্ষণের চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি।

সরকারপ্রধান বলেন, বিজয়ের ইতিহাস আমাদের নতুন প্রজন্মের যারা আসবে তারা জানবে, বিজয়ী জাতি হিসেবে নিজেদের আত্মমর্যাদা বোধ গড়ে উঠবে। মাথা উঁচু করে চলতে শিখবে তারা। কারো কাছে হাত পেতে নয়, আমরা আমাদের নিজেদের সম্পদ দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলবো। বিশ্ব সভায় সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলব। কারণ আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। আমাদের দেশে ভবিষ্যত প্রজন্মকে আমরা সেভাবে গর্বিত জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তিন বাহিনী প্রধানসহ সামরিক ও বেসারিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


Leave a Reply