খরচের হিসাব চাওয়ায় ইবি ছাত্রলীগের সিনিয়র কর্মীর হাতে মারধরের শিকার জুনিয়র - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে দেশবাসী : জিএম কাদের বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন নার্গিস ফাখরি পাকিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২৬
খরচের হিসাব চাওয়ায় ইবি ছাত্রলীগের সিনিয়র কর্মীর হাতে মারধরের শিকার জুনিয়র

খরচের হিসাব চাওয়ায় ইবি ছাত্রলীগের সিনিয়র কর্মীর হাতে মারধরের শিকার জুনিয়র

Islamic University

  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    3
    Shares

আদিল সরকার, ইবি প্রতিনিধি : হল ব্লকের পেপার বিল এবং ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস কেনার টাকার হিসাব চাওয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক জুনিয়র কর্মীকে মারধর করেছে সিনিয়র কর্মী। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট রাতে) জিয়াউর রহমান হলের ৪র্থ তলার উত্তর পূর্ব ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের মিজানুর রহমান একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের কাওসারকে এই মারধর করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। সূত্র আরো জানায়, ব্লকে পেপার, বাথরুমের সাবান, স্যান্ডেল ও আনুসাঙ্গীক জিনিস কেনার জন্য মিজান সবসময় ব্লকের শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা উঠায়। তেমনি ভাবে চলতি মাসের পেপার বিলের কথা বলে হিসাব বহির্ভূত অতিরিক্ত টাকা চায়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং কেন টাকা নেয়া হচ্ছে তার হিসাব জানতে চাইলে তাকে রুমে ডেকে নিয়ে মারধর করে।

ভুক্তভোগী কাওসারের সাথে কথা বললে জানা যায়, “মিজানের হুকুমে ব্লকের এক ছেলে পত্রিকা বিলের নামে অতিরিক্ত টাকা নিতে রুমে আসে। কিন্তু আমি অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করি ও তার হিসাব জানতে চাই। পরে মিজান সেই ছেলে দ্বারা আমাকে ৪০৫ নং কক্ষে ডেকে পাঠায়। সেই সাথে হিসাব জানতে চাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। পরে এর প্রতিবাদ করতে গেলে সে আমাকে অতর্কিত ভাবে মারধর শুরু করে।” এবিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে কথা বলতে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “ অভিযুক্ত মিজান নামের ছেলেটি বর্তমানে ছাত্রলীগের কেউ নয় সে বহিরাগত। আর হলে থেকে কোন বহিরাগত যদি এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থাকে তবে হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবে।”

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply