এ্যাম্বুলেন্স শূণ্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স - Nobobarta

আজ বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

এ্যাম্বুলেন্স শূণ্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

এ্যাম্বুলেন্স শূণ্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

Dumki Health Complex

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

জসিম উদ্দিন, দুমকি ॥ পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারী বরাদ্দের নূতন এ্যাম্বুলেন্সটি অন্য প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করায় এ্যাম্বুলেন্স শূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এদিকে পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সটিও গত জানুয়ারি থেকে অকোজোঁ হয়ে পড়ায় মুমূর্ষু রুগী পরিবহনে চরম দুর্ভোগে পড়ে উপজেলাবাসী। প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র পীড়িত সাধারন মানুষজন তাদের মুমূর্ষু রুগী পরিবহনে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রাপ্ত এ্যাম্বলেন্সটি দু’বছর আগেই ব্যবহার অনুপোযুগি হওয়ায় সরকার ২০১৭সালে নূতন আর একটি এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেয়। কিন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এ্যাম্বুলেন্সটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হস্তান্তর না করে একই উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত পবিপ্রবি কর্তৃপক্ষকে দিয়ে দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। ফলে সরকারী হিসেবে বরাদ্দ দেখানো নূতন এ্যাম্বুলেন্সটি আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেনি।

এদিকে পূর্বের জোড়াতালি দিয়ে চলমান এ্যাম্বুলেন্সটি গত জানুয়ারি মাসে অকোজেঁ হয়ে গ্যারেজে পড়ে থাকায় পুরোপুরি এ্যাম্বুলেন্স শূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলা হাসপাতালটি। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাসাপাতালে আগত ও প্রত্যন্ত এলাকার মুমূর্ষু রুগীদের। হাসপাতালে ভর্তি রুগীদের উন্নত চিকিৎসায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল কিম্বা জেলা শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রুগীদের দ্রুত স্থানান্তরে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ। স্থানীয় বাহন রিস্কা, ভ্যান কিম্বা অটো রিস্কায় রুগী পরিবহনে ৩০মিনিটের পরিবর্তে ৩/৪ঘন্টা ব্যয় হয়। এতে দ্রুত উন্নত চিকিৎসায় নেয়ার পথেই অনেক রুগী মৃত্যু ঘটে। উপজেলা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স চালক মো: নাসির উদ্দিন জানান, জোড়াতালি দিয়ে পুরাতন এ্যাম্বুলেন্সটি বিগত ২/৩বছর চালিয়েছি। গত জানুয়ারিতে পুরোপুরি অচল হয়ে যাওয়ায় গ্যারেজে পড়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন একটি এ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিল, সেটি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডিজি অফিসে তদ্বির করে নিয়ে গেছে।

এখন হাসপাতালে এ্যম্বুলেন্স নেই। প্রতিদিন এ হাসপাতালে ভর্র্র্র্তি হওয়া রুগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য একাধিক রুগীকে বরিশাল স্থানান্তর করা হলেও সরকারী এ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রুগীদের নিজস্ব উদ্যোগে প্রাইভেট বাহনে পটুয়াখালী-বরিশাল এমনকি ঢাকায় যেতে হচ্ছে। এতে তাদের অধিক আর্থিক ক্ষতিসহ নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির দায়িত্বরত কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. লোকমান হাকিম বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এ্যাম্বুলেন্স সমস্যা লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে। নূতন এ্যাম্বুলেন্স প্রশ্নের জবাবে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক অত্রহাসপাতালের নামে বরাদ্দের এ্যম্বুলেন্সটি অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে দিয়ে দিলে আমাদের তো কিছুই করার থাকে না। জনভোগান্তির বিবেচনায় হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে এ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ একান্ত প্রয়োজন।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply