উন্নয়ন বঞ্চিত ব্রাহ্মণ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝুকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষ - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে দেশবাসী : জিএম কাদের বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন নার্গিস ফাখরি পাকিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২৬
উন্নয়ন বঞ্চিত ব্রাহ্মণ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝুকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষ

উন্নয়ন বঞ্চিত ব্রাহ্মণ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝুকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষ

  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    4
    Shares

কবির আহমদ, ওসমানীনগর : ওসমানীনগরের প্রায় ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে শ্রেণিকক্ষ সংকটে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাঘাত ঘটছে। সুচারুরূপে পাঠদান করতে শ্রেণিকক্ষ সংকট লাঘবে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী।

জানা যায়, ওসমানীনগরে মহাসড়কের পাশে ৫৪নং ব্রাহ্মণগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৩৬ সালে স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে বিদ্যালয়ে এক কক্ষ বিশিষ্ট একটি আধাপাকা ভবন নির্মাণ করে চলছিল পাঠদান। পরবর্তীতে ২কক্ষ বিশিষ্ট একটি পাঁকা ভবন নির্মাণ হয়।

প্রায় ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৬ফুট প্রস্তের পুরাতন আধাপাকা ভবনের কক্ষতে পার্টিশন তৈরি করে ছোট ছোট তিনটি শ্রেণিকক্ষ তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ছোট শ্রেণিকক্ষ গুলোতে শিক্ষার্থীদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। তাছাড়া পুরোনো টিনের চাল মেরামত না করলে বৃষ্টির দিনে পানিও গড়িয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়তে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

১৯৯৯-২০০০ সালে নির্মিত পাকা ভবনটির একটি কক্ষে রয়েছে অফিস এবং অপর কক্ষে শিশু শ্রেণি। কিন্তু ভবনের ছাদ থেকে প্রতিনিয়ত পলেস্তরা খসে পড়ছে। অনেক স্থানে ছাদের মরিচা পড়া রডও বেড়িয়ে গেছে। এমন অবস্থায় ভবনটি ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবুও ভবনের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে সেটি ব্যবহার করা হচ্ছে। শিশু শ্রেণিতে ২৪জন, প্রথম শ্রেণিতে ৪০জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৭জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৪৫জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩৫জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৩৩জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসি রাণী দে বলেন, বিদ্যালয়ে ২১২জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ছোট একটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ ৩০জন বসার জায়গা করা যায় কোন মতে। শ্রেণিকক্ষ সংকটে শিক্ষার্থীদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পাঠদানে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। বিভিন্ন সময়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন ভবনের জন্য লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আঞ্জুমান আরা মাহিয়া বলে, আমার শ্রেণিতে ৪৫জন ছাত্রছাত্রী আছে। কিন্তু সবার বসার জায়গা হয় না। গরমের দিনে ক্লাস করতে খুব কষ্ট হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ নুরুর রহমান শানুর বলেন, ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত এই বিদ্যালয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষ সংকটে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ এবং শ্রেণিকার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জরুরী ভিত্তিতে নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিপালী রাণী রায় বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট রয়েছে সেগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply