আগের রাতে ভোট মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছিল না : ফখরুল – Nobobarta

আজ শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
রাজাপুরে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ অনুষ্ঠিত মহিউদ্দিন সভাপতি, আবু বকর সম্পাদক উদয় সমাজ কল্যান সংস্থার ১২ তম ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন ১০ ডিসেম্বর উপাচার্যের দুর্নীতির ক্ষতিয়ান প্রকাশ করবে আন্দোলনকারীরা মার্শাল আর্ট ‘বিচ্ছু’ নিয়ে আসছেন সাঞ্জু জন আজ উদয় সমাজ কল্যান সংস্থা সিলেটের ১২তম ওয়াজ মাহফিল দলীয় কার্যালয় সম্প্রসারণের লক্ষে আগৈলঝাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির প্লট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর যবিপ্রবিতে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠন আটোয়ারীতে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত জবি রোভার দলের হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণের উদ্বোধন
আগের রাতে ভোট মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছিল না : ফখরুল

আগের রাতে ভোট মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছিল না : ফখরুল

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকেরা কথায় কথায় শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি ছিল?’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না যে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হরণ করে নিবেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না যে ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখ রাতে নিয়ে নিবেন! মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না যে রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাজনীতি করতে বাধা দিবেন। এইসব তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল এদেশের মানুষের অধিকার রক্ষা করা। তার স্বাধীনতাকে রক্ষা করা। তার গণতন্ত্রকে রক্ষা করা। তার কথা বলার অধিকারকে রক্ষা করা। সেই চেতনা আজ পুরোপুরি ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।’ শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি ও সমসাময়িক রাজনীতি প্রসঙ্গে গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি)।

সরকারকে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করে ফখরুল বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকার জন্য পাক হানাদার বাহিনীর যে কাজগুলো করেছে এরাও একই কাজ করছে। আমাদের স্বাধীনতার প্রধান দাবি ছিল অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সেই সময়ে পাকিস্তান আমাদেরকে শাসন করেছিল, বঞ্চিত করেছিল, শোষণ করেছিল। এর প্রতিবাদে এই অঞ্চলের মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর জোর করে আজকের সরকারের মতোই ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিল। পাক হানাদার বাহিনীর সাথে এদের পার্থক্যটা কোথায় তা আমি ঠিক বুঝতে পারি না।’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত ১০ বছরে আমাদের পাঁচ শতাধিকের বেশি নেতাকর্মী গুম হয়েছে। কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ২৬ লক্ষ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এক লক্ষের বেশি মামলা করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলকে এত ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা আমার জানা নেই। তারপরও আমরা সংগ্রাম করছি, লড়াই করছি।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা মানুষের দেয়ালের লেখা পড়ুন। জনগণের চোখের ভাষা বুঝুন। মানুষের ভাষা বুঝুন। শাসকরা যদি তা বুঝতো তাহলে তারা (সরকার) এত অমানুষ হতো না।’ এনপিপি’র চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-প্রেসিডেন্ট নিতাই রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টির একাংশের প্রধান মোস্তফা জামান হায়দার, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিকল্পধারার একাংশের প্রধান ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী প্রমুখ।


Leave a Reply