মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন

English Version
বগুড়া-১ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, ঢাকাই নেতাদের দৌড়ে বাড়ছে দ্বন্দ্ব

বগুড়া-১ পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি, ঢাকাই নেতাদের দৌড়ে বাড়ছে দ্বন্দ্ব



মতিউর রহমান মুসা, নববার্তা : যমুনার চরাঞ্চল আর নদী ভাঙ্গনের জনপদ হিসেবে পরিচিত বগুড়ার সারিয়াকান্দি এবং সোনাতলা উপজেলা।

অপেক্ষাকৃত গরীব মানুষের আবাসস্থল বগুড়া -১ আসনে। ভোট যুদ্ধে এই আসনে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির পালাবদল হয়েছে অনেকবার। গেলো দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এই আসনটি দখলে রেখেছে। ২

০০৮ সালে ভোটযুদ্ধে হেরে গেলেও এবার আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি। আর সাধারণ মানুষ চায় এলাকার উন্নয়নে ত্যাগী জনপ্রতিনিধি।

বিএনপির ভোট এলাকা বলে পরিচিত হলেও উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে থাকায় এলাকার মানুষ ভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগকে। বিশেষ করে বন্যা এবং নদীভাঙনে সরকারের সহযোগিতা ছিল বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া রাস্তাঘাটসহ সকল প্রকার উন্নয়ন হয়েছে এ সময়। তাই সাংগঠনিক কাঠামো এবং উন্নয়ন নিয়ে জয়ের ধারা ধরে রাখতে চায় আওয়ামী লীগ।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জিয়াউল করিম শেম্পু বলেন, ‘উন্নয়ন ও সাংগঠনিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে আগামী ডিসেম্বরে যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে আমার দল, আমার মার্কা বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।’

১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে এই আসনের জয় পায় বিএনপি। দলের ভোট ব্যাংকে যদি সঠিক প্রার্থী দেয়া যায় এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এই আসনে জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করে বিএনপি।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুজাউদদ্দৌলা সনজু বলেন, ‘মানুষ বিএনপির প্রতি সম্পূর্ণ আস্থাশীল। এখানে যে নেতা মাঠে সব সময় আছেন, তাকে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে বিএনপি জয়লাভ করবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, কতিপয় কিছু নেতার কারনে দলে গ্রুপিং তৈরী হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকাই নেতাদের কারনে বাড়ছে দ্বন্দ্ব।

প্রতিবছর নদীভাঙ্গন আর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা চান এলাকার উন্নয়নে ত্যাগী জনদরদী প্রতিনিধি।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা উপজেলার সাধারণ মানুষ বলেন, ‘সব সময় লক্ষ্য রাখবে এবং পাশে দাঁড়াবে তেমন লোকই আমাদের প্রয়োজন। সুখে দুখে যারা সহযোগিতা করবে আমরা তাকে ভোট দিবো।’

১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে সারিয়াকান্দি এবং ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে সোনাতলা উপজেলা। এর মধ্যে এ আসনে ৬ টি ইউনিয়ন নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে। চরাঞ্চলের মধ্যে পড়েছে ৫টি ইউনিয়ন। এই দুটি উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ২শ ২৪ জন।

নববার্তা/মুসা

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com