সোমবার, ২০ অগাস্ট ২০১৮, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

English Version
মাঠে নেই নলছিটির বিএনপি নেতারা হতাশ তৃনমূল কর্মীরা

মাঠে নেই নলছিটির বিএনপি নেতারা হতাশ তৃনমূল কর্মীরা



মোঃ মশিউর রহমান খান,নলছিটি সংবাদদাতাঃ মনোয়নের জন্য জীবন দিবো দলের জন্য কিছুই না ,ঠিক এই মন্ত্রই গ্রহন করেছে ঝালকাঠী -২ আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির নেতারা। যার কারনে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার কয়েকদিন পূর্বে একটি ঘোষণায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা স্ব স্ব এলাকার মাঠে আন্দোলনে থাকতে হবে।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণা হলেও ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাউকেই নলছিটিতে দেখা যায় নি। জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরকে দলীয় স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কোন রকম দায়সারা কর্মসূচী পালন করেতে দেখা গেছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে অথবা নির্বাচনের মৌসুম এলে বসন্তের অতিথি পাখির মতো এসে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণসংযোগ ও তাদের অনুগতদের নিয়ে সভা-সমাবেশ করেন বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।
ঝালকাঠি-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টোর ভোট ব্যাংক ও নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি থাকলেও ১/১১ পর থেকে তাকে দু’একবার এলাকায় দেখা গেছে। জনসাধারণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগের অভাবের কারণে তিনি এখন নেতাকর্মীদের কাছে অদৃশ্যমান মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে পরিচিত। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরেকজন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পাকিস্তান সরকারের সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী ব্যরিস্টার আক্তার উদ্দিন আহমেদ এর কন্যা জেবা আহমেদ খান। জেলার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে তার পরিচিতি থাকলেও কর্মী-সমর্থক দূরের কথা তৃণমূল নেতারাও তাকে চেনে না।
অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিঞা আহমেদ কিবরিয়া মাঝে মাঝে এলাকায় এলেও তার পরিচিতি ও প্রভাব শুধু মাত্র নলছিটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সদর উপজেলার দশটি ইউনিয়নে তার তেমন কোন পরিচিতি ও উল্লেখ করার মত কোন কার্যক্রম লক্ষ করা যায় না।
এ ছাড়া তৃণমূলে পরিচিতি আছে এমন নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএম কলেজের সাবেক ভিপি মাহাবুবুল হক নান্নুর সাথে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে । উল্লেখ্যিত নেতাদের মধ্যে একমাত্র জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নূপুর ছাড়া আন্দোলন সংগ্রামে অন্য নেতাদের দেখা যায় না।
জেলায় বিএনপির এসব অদৃশ্যমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিষয় জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর বলেন, অদৃশ্যমান মনোনয়ন প্রত্যাশিরা মৌসুমি নেতা। নির্বাচনী মৌসুম আসলেই এরা নিজেদের জানান দেন। এদের ব্যাপারে নেতাকর্মীরা সচেতন রয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফাকামাল মন্টু বলেন, ঢাকায় বসে বা দেশের বাইরে বসে মনোনয়ন চাইলেই হবে না। যারা দলের দুঃসময় নেতা কর্মীদের পাশে থাকবে না অথচ মনোনয়ন চাইবেন তাঁদেরকে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা গ্রহণ করবে না। যারা আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকায় থাকবে নির্বাচনের সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদেরকেই মূল্যায়ন করবে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com