শনিবার, ২৩ Jun ২০১৮, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন



তেঁতুলিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে টাকার বিনিময়ে বোর্ড সার্টিফিকেটের বয়স কমান শিক্ষক

তেঁতুলিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে টাকার বিনিময়ে বোর্ড সার্টিফিকেটের বয়স কমান শিক্ষক



এস কে দোয়েল # চাকুরির ক্ষেত্রে বয়স বেশি হলে সার্টিফিকেটের বয়স কমিয়ে দিতে পারে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এরশাদুল আলমের নামে এক সহকারী শিক্ষক। এমন একটি অভিযোগ তেঁতুলিয়ায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। শিক্ষক এরশাদুল আলম ওই বিদ্যালয়ের ভোকেশনল বিভাগের ট্রেড ইন্সট্রাক্টটর। সম্প্রতি উপজেলা সদরের দর্জিপাড়া গ্রামের সোহেল রানা নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৭০ হাজার হাতিয়ে নেয়ায় উঠে আসে এমন  চাঞ্চল্যকর তথ্য। বোর্ড থেকে টাকার বিনিময়ে বয়স কমানো যায় এমন অপরাধ শিক্ষার্থীদের মাঝে হতাশার সৃস্টি করছে।

অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, সোহেল রানা ২০১৪ সালে তেঁতুলিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পাস করে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীতে চাকরির জন্য আবেদন করলে বয়স বেশি হওয়ার কারণে অকৃতকার্য হয়। গত ৬ মাস আগে বিষয়টি ওই ভোকেশনাল ট্রেড ইন্সট্রাক্টর এরশাদুল আলম জানতে পারলে বয়স কমিয়ে দিতে পারবেন এমন প্রলোভন দেখিয়ে দরদামের মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ছেলের চাকরির কথা ভেবে সোহেলের পিতা সোহরাব হোসেন দুই বিঘা আবাদী জমি বন্ধক রেখে ৭০ হাজার টাকা সরল বিশ্বাসে কয়েকজন সাক্ষীর মোকাবেলায় শিক্ষক এরশাদুল আলমকে (হাতে ও বিকাশের মাধ্যামে) প্রদান করেন। কাজের প্রতুশ্রুতি অনুযায়ী বয়স কমাতে না পারায় টাকা ফেতৎ চাইলে তা ফেরত প্রদানে নানা টালবাহানা শুরু করেন শিক্ষক এরশাদুল আলম।

প্রতারিত সোহেল সুত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষক এর আগেও একজনের কাজ থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে বোর্ড থেকে সার্র্টিফিকেটের বয়স কমিয়ে এনে দিয়েছেন এমন গ্যারান্টি দেয়ায় আমি ও আমার পরিবার টাকা দেই। ওই শিক্ষকের এসব কল রেকর্ড তার কাছে রয়েছে বলে জানায় সে। সে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করে। যাতে তার কাছ থেকে আর কেউ প্রতারিত না হয়। এ বিষয়ে শিক্ষক এরশাদুল আলমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমাকে নিয়ে ষঢ়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি কারও কাছ থেকে টাকা নিয়ে বয়স কমিয়ে দেইনা ।

এব্যাপারে তেঁতুলিয়া মড়েল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বয়স কমিয়ে দেয়ার নামে টাকা নেয়ার অভিযোগের সত্যতা শিকার করে জানান, বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ । এখনকার ছেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে  প্রতারণা করার কোন সুযোগ নেই। শিক্ষক এরশাদুল আলম ওই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে দরদামের মাধ্যমে  ৭০হাজার টাকা নিয়েছে তার রেকর্ড পর্যন্ত আমাকে দেখিয়েছে। আমি অভিযোগ পাওয়ার পর ১ম শোকজ লেটার পাঠিয়েছি। আরও একটি শোকজ লেটার পাঠানো হয়েছে তার জবাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। 

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media








© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com