,

ওসির নির্দেশে পালন করে এসআই বলির পাঠা ঝালকাঠিতে ২লাখ টাকায় কোটি টাকার তক্ষক সহ পাচারকারী চক্রের সাথে দফারফা করলেন ওসি মুনির

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝাকাঠির রাজাপুর থানা ওসি সরকার নিষিদ্ধ বন্যপ্রানী (তক্ষক) টক্করনাথ সহ কয়েকজন পাচারকারীকে আটকের পর ২লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় জেলা পুলিশ বিভাগে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় ওসি মুনির উল গিয়াসের নির্দেশে রাজাপুর ডিগ্রি কলেজ এলাকার কোটি টাকা মূল্যের ৩টি টক্করনাথ এর একটি চালান সহ ৫জন পাচারকারীকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা জানাজানি হলে এসআই কাইউমকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে পুলিশের উর্ধতন কর্তপক্ষের নির্দেশে সোমবার এসআই কাইউমকে রাজাপুর থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হলে ক্লোজড জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
      নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজাপুর থানার ২পুলিশ সদস্য সহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ৯ টায় ওসি মুনির উল গিয়াসের নির্দেশে রাজাপুর ডিগ্রি কলেজ এলাকায় অভিযান চালায়। এসআই কাইউম ও এসআই চাঁন মিয়া সহ একদল পুলিশের একটি দল রাঙ্গামাটির পাহাড়ি এলাকা থেকে পাচার করে আনা সরকার নিষিদ্ধ বন্যপ্রানী ৩টি টক্করনাথ (তক্ষক)  সহ ৫জন পাচারকারীকে আটক করে ওসির সাথে যোগাযোগ করে। পরে ওসি মুনির উল গিয়াসের নির্দেশে ৩টি টক্করনাথ সহ ৩জনকে রেখে বাকী ২জনকে থানায় নিয়ে আসে। সেখানে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মুনীর উল গীয়াসের সাথে ২লাখ টাকায় রফাদফা হলে রাতেই আটক দুজনকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়।
     সূত্র আরো জানায়, পরের দিন উক্ত পাচারকারী চক্রটি পার্শবর্তী কাউখালী উপজেলায় আত্মগোপন করলে কাউখালী থানা পুলিশ ডাকাত সন্দেহে (তক্ষক)  ৩টি টক্করনাথ সহ ৫জন পাচারকারীকে আটক করে। আটককৃতদের পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ কালে নিজেদের ডাকাত নয় দাবী করে গত শনিবার রাজাপুর থানা পুলিশ উক্ত বন্যপ্রানী সহ তাদের আটক করেছিল বলে  জানায়। এঅবস্থায় পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে ঝালকাঠি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অবগত করা হয়ে জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। রাজাপুর ওসি মুনির উল গিয়াসের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চাইলে তিনি আটক অভিযানে অংশ নেয়া এসআই কাইউমকে বলির পাঠা বানালে রাজাপুর থানা থেকে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
      এব্যাপারে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানায়, বিষয়টি আমাদের নলেজে আসার পর তদন্তের জন্য এসআই কাইউম সরিয়ে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ওসি বা অন্যকেহ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।#TOKKOR

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com