,

রাজাপুরে ভূমিহীনের জমি ভূমিদস্যুদের দখলে!

ঝালকাঠি প্রতিবেদকঃ ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাউথপুর গ্রামে অসহায় একটি পরিবারকে সরকারের বরাদ্দকৃত ভূমিহীন বন্দোবস্তের জমি প্রভাবশালীরা দখল করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে পুলিশের উপস্থিতিতে ভাড়াকরা সন্ত্রাসীরা এ জমি দখলে নেয়। এ ঘটনায় বাদাম বিক্রেতা বাবুল হাওলাদার ও তার ভাই রিক্সা চালক সুমন হাওলাদার রাজাপুর থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইতে গেলে, তাদের থানা থেকে বের করে দেয়া হয়।
ভুক্তভুগিদের অভিযোগ, কোন জমিজমা না থাকায় সাউথপুর গ্রামের ছত্তার হাওলাদার ও তার স্ত্রী আলেয়া বেগম সরকারের কাছে জমি পাওয়ার আবেদন করেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ভূমিহীনদের জমি বন্দোবস্তের আওতায় ১৯৮৯ সালে উপজেলার সাউথপুর সেতু সংলগ্ন বেড়িবাধের পাশে দুইজনের নামে পঞ্চাশ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেয়। বৃদ্ধ ছত্তার হাওলাদারের মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ হিসেবে জমির মালিক হন তাদের দুই ছেলে বাবুল হাওলাদার ও সুমন হাওলাদার। বাবুল হাওলাদার বাদাম বিক্রি করে সংসার চালান, আর তার ভাই সুমন রিক্সা চালায়। দরিদ্র্য এ পরিবারটির সরকারি বন্দোবস্তের জমির অবস্থান ভালস্থানে হওয়ায় এর প্রতি প্রতিবেশী ভূমিদস্যু চুন্নু সরদার ও তার ভাই বারেক সরদারের নজর পরে। এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে জমিটি দখলে নেয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে প্রভাবশালী ওই মহলটি। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার গভীর রাতে চুন্নু সরদার, তার ভাই বারেক সরদার ও মঠবাড়ী ইউনিয়ন যুবদল নেতা শাহীন গোমস্তার নেতৃত্বে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র¿ নিয়ে বাদাম বিক্রেতার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ এসে তাদের ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলে। পুলিশের কথায় ঘর থেকে বের হওয়ার পরেই হামলাকারীরা বসতঘরটি ভেঙে পার্শ্ববর্তী জাঙ্গালিয়া খালে ফেলে দেয়। অস্ত্রের মুখে হামলাকারীদের বাঁধা দিতেও সক্ষম হয়নি দরিদ্র্য ওই পরিবারটি।
বর্তমানে ওয়ারিস সূত্রে জমির মালিক বাদাম বিক্রেতা বাবুল হাওলাদার ও তার ভাই অভিযোগ করেন, ‘শনিবার রাত দেড়টার দিকে একদল পুলিশ ঘরের লোকজনকে বের করে দিয়ে তারা দাঁড়িয়ে থাকে। এসময় ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা জমির ওপর বসতঘর ভেঙে চুরমার করে পার্শ্ববর্তী জাঙ্গালিয়া খালে ফেলে দেয়। পরের দিন আমরা থানায় মামলা করতে আসলে এসআই মোজাম্মেল আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে থানা থেকে বের করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে আমরা রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’
রিক্সা চালক সুমন হাওলাদার অভিযোগ করেন, আমার বাবা ও মায়ের নামে সরকার জমি দিয়েছে। বাবা মারা যাওয়ায় আমরাই জমির মালিক। চুন্নু সরদার ও তার সহযোগিরা ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে অনেক দিনধরে আমাদের জমি দখল করার পায়তারা করেছিল। শনিবার তারা হামলা চালিয়ে আমাদের জমি দখল করে নিয়েছে।
দখলকারী চুন্নু সরদার বলেন, বাবুল ও সুমনের বাবা, মা আমার কাছথেকে টাকা নিয়ে তার বিনীময় জমি বিক্রি করেছে। আমার জমি তারা বুঝিয়ে দিচ্ছেনা। তাই আমার জমি আমি দখলে নিয়েছি।
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম সাদিকুর রহমান বলেন, সরকারের দেওয়া বন্দোবস্তের জমি কারো কাছে বিক্রি বা হস্তারন্তর করা যাবেনা। জমিটি দখলের অভিযোগ করেছেন মালিকপক্ষ। আমরা অভিযোগের তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেবো।
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমি ওই দিন (শনিবার রাতে) ডিউটি অফিসার ছিলাম। জমি দখলের খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দখলকারীরা পালিয়ে যায়। তারা ঘর উত্তোলন করার চেষ্টা করেছিল তাও পারেনি।’ ক্ষগ্রিস্তদের গালমন্দ বলেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে তারা কেউ আসেনি, মন্দ বলার প্রশ্নই আসেনা।’ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাউথপুর গ্রামে অসহায় একটি পরিবারকে সরকারের বরাদ্দকৃত ভূমিহীন বন্দোবস্তের জমি প্রভাবশালীরা দখল করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে পুলিশের উপস্থিতিতে ভাড়াকরা সন্ত্রাসীরা এ জমি দখলে নেয়। এ ঘটনায় বাদাম বিক্রেতা বাবুল হাওলাদার ও তার ভাই রিক্সা চালক সুমন হাওলাদার রাজাপুর থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইতে গেলে, তাদের থানা থেকে বের করে দেয়া হয়।
ভুক্তভুগিদের অভিযোগ, কোন জমিজমা না থাকায় সাউথপুর গ্রামের ছত্তার হাওলাদার ও তার স্ত্রী আলেয়া বেগম সরকারের কাছে জমি পাওয়ার আবেদন করেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ভূমিহীনদের জমি বন্দোবস্তের আওতায় ১৯৮৯ সালে উপজেলার সাউথপুর সেতু সংলগ্ন বেড়িবাধের পাশে দুইজনের নামে পঞ্চাশ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেয়। বৃদ্ধ ছত্তার হাওলাদারের মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ হিসেবে জমির মালিক হন তাদের দুই ছেলে বাবুল হাওলাদার ও সুমন হাওলাদার। বাবুল হাওলাদার বাদাম বিক্রি করে সংসার চালান, আর তার ভাই সুমন রিক্সা চালায়। দরিদ্র্য এ পরিবারটির সরকারি বন্দোবস্তের জমির অবস্থান ভালস্থানে হওয়ায় এর প্রতি প্রতিবেশী ভূমিদস্যু চুন্নু সরদার ও তার ভাই বারেক সরদারের নজর পরে। এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে জমিটি দখলে নেয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে প্রভাবশালী ওই মহলটি। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার গভীর রাতে চুন্নু সরদার, তার ভাই বারেক সরদার ও মঠবাড়ী ইউনিয়ন যুবদল নেতা শাহীন গোমস্তার নেতৃত্বে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র¿ নিয়ে বাদাম বিক্রেতার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশ এসে তাদের ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বলে। পুলিশের কথায় ঘর থেকে বের হওয়ার পরেই হামলাকারীরা বসতঘরটি ভেঙে পার্শ্ববর্তী জাঙ্গালিয়া খালে ফেলে দেয়। অস্ত্রের মুখে হামলাকারীদের বাঁধা দিতেও সক্ষম হয়নি দরিদ্র্য ওই পরিবারটি।
বর্তমানে ওয়ারিস সূত্রে জমির মালিক বাদাম বিক্রেতা বাবুল হাওলাদার ও তার ভাই অভিযোগ করেন, ‘শনিবার রাত দেড়টার দিকে একদল পুলিশ ঘরের লোকজনকে বের করে দিয়ে তারা দাঁড়িয়ে থাকে। এসময় ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা জমির ওপর বসতঘর ভেঙে চুরমার করে পার্শ্ববর্তী জাঙ্গালিয়া খালে ফেলে দেয়। পরের দিন আমরা থানায় মামলা করতে আসলে এসআই মোজাম্মেল আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে থানা থেকে বের করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে আমরা রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’
রিক্সা চালক সুমন হাওলাদার অভিযোগ করেন, আমার বাবা ও মায়ের নামে সরকার জমি দিয়েছে। বাবা মারা যাওয়ায় আমরাই জমির মালিক। চুন্নু সরদার ও তার সহযোগিরা ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে অনেক দিনধরে আমাদের জমি দখল করার পায়তারা করেছিল। শনিবার তারা হামলা চালিয়ে আমাদের জমি দখল করে নিয়েছে।
দখলকারী চুন্নু সরদার বলেন, বাবুল ও সুমনের বাবা, মা আমার কাছথেকে টাকা নিয়ে তার বিনীময় জমি বিক্রি করেছে। আমার জমি তারা বুঝিয়ে দিচ্ছেনা। তাই আমার জমি আমি দখলে নিয়েছি।
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম সাদিকুর রহমান বলেন, সরকারের দেওয়া বন্দোবস্তের জমি কারো কাছে বিক্রি বা হস্তারন্তর করা যাবেনা। জমিটি দখলের অভিযোগ করেছেন মালিকপক্ষ। আমরা অভিযোগের তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেবো।
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমি ওই দিন (শনিবার রাতে) ডিউটি অফিসার ছিলাম। জমি দখলের খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দখলকারীরা পালিয়ে যায়। তারা ঘর উত্তোলন করার চেষ্টা করেছিল তাও পারেনি।’ ক্ষগ্রিস্তদের গালমন্দ বলেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে তারা কেউ আসেনি, মন্দ বলার প্রশ্নই আসেনা।’

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

আরও অন্যান্য সংবাদ


Nobobarta on Twitter




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com