,

সিলেটে র‌্যাবের হাতে সহযোগী দুই মহিলাসহ ভুয়া বর আটক

ভুয়া বর ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে র‌্যাব-৯। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ইসলামপুর মেজরটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে-ভুয়া বর মামুন, তার সহযোগী মোছাম্মৎ নূরুন্নাহার ও মোছাম্মৎ রহিমা বেগম। এ সময় ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরতলীর ইসলামপুর মেজরটিলা এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানকালে বাজারের পাশর্বর্তী জনৈক ইসতিয়াক আহমদ সিদ্দীকীর মালিকানাধীন কলোনী থেকে ভুয়া বরসহ তার দুই কথিত খালাকে আটক করে।তারা হচ্ছে-কিশোরগঞ্জ জেলার কালিয়াঝুরি থানার ধনপুর পাচহাই গ্রামের বর্তমানে মেজর টিলার মিস্তিক কলোনীর বাসিন্দা জানু মিয়ার স্ত্রী মোছাম্মৎ নূরুন্নাহার (৩০) ও নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার হালেঙ্গা পুতিগাঁও গ্রামের মাইনুদ্দিন মিয়ার স্ত্রী মোছাম্মৎ রহিমা বেগম (৫০)।

উদ্ধারকৃত ভিকটিম কিশোরী কবিতা (ছদ্মনাম) জানায়, প্রায় ২ বছর আগে জীবিকার তাগিদে গৃহকর্মী হিসেবে সিলেটে কাজ করতে আসে সে। ইসলামপুরে এক বাসায় কাজ করার সময় তার সাথে কথিত খালা নুরুন্নাহারের পরিচয় হয়। পরে তার সাথেই কলোনীতে গত ৩/৪ মাস ধরে ভাড়া ঘরে বাস করছিল। সেখানে গ্রেফতারকৃত ভুয়া বর মামুন ভিকটিমকে দেখতে পেয়ে রহিমা বেগম ও নুরুন্নাহারের সহযোগিতায় বিয়ের সাজানো নাটক করে। কোন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন না মেনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে পারিবারিক প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে জোরপূর্বক গত ২৮মে আসামী মামুনের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। ঘটনার সময় উপস্থিত একজন ভুয়া মৌলভী বর্তমানে পলাতক রয়েছে। ঘটনার পর দুইদিন ভুয়া বর মামুন ও ভিকটিমকে কথিত খালা নুরুন্নাহার ও রহিমা বেগম কলোনীর একই ঘরে থাকতে বাধ্য করে। এ বিষয়ে আপত্তি জানালে ২৯ মে রাতে আসামী মামুন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

সংবাদ পেয়ে র‌্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে এবং কথিত দুই খালাকে আটক করে। পরে পলাতক ভূয়া বর মামুনকেও আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে কিশোরীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাহপরাণ থানায় সোপর্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব¡ দেন র‌্যাব-৯ সিপিসি-১, সিলেট ক্যাম্পের মেজর এস এ এম ফখরুল ইসলাম খান ।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

আরও অন্যান্য সংবাদ


Nobobarta on Twitter




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com