,

পূর্বশত্রুতার জের ধরে বখাটেদের হাতে ভ্যানচালক রক্তাক্ত জখম : আগৈলঝাড়া হাসপাতালে ভর্তি

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) # বরিশালের আগৈলঝাড়ার সীমান্তবর্তী জল্লা ইউনিয়নের কারফা গ্রামে বসে একদল বখাটের হাতে নির্মম হামলার শিকার হয়ে এক গরীব কিশোর ভ্যানচালক এখন মূমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার নাক-মুখ ও শরীর দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, আহতের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুড়–লিয়া গ্রামের দরিদ্র বিমল সমদ্দারের ছেলে ভ্যানচালক শ্যামল (১৮) গত শনিবার দুপুরে গৌরনদী থেকে এক যাত্রী আনার জন্য রওনা হলে কারফা হাইস্কুলের সামনে ওই গ্রামের কৃষ্ণকান্ত রায়ের বখাটে ছেলে সুজন তার ৪-৫জন সহযোগীসহ শ্যামলকে পেয়ে ভ্যান থেকে নামিয়ে স্কুলের ভিতর নিয়ে বেধরক মারধর করে।

এসময় শ্যামলের নাক-মুখ ও শরীর দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। মারধরের ঘটনা দেখে স্কুলের প্রধানশিক্ষক ও অন্যান্যরা এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। শ্যামলের অবস্থা বেগতিক দেখে তারা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আগৈলঝাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ডা. বখতিয়ার আল-মামুনের অধীনে ভর্তি করে। অবস্থার কোন উন্নতি না হলে গতকাল শ্যামলের স্বজনরা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাবার কথা ভাবছে। আহতের স্বজনদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, দুইবছর আগে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে কারফা গ্রামের কৃষ্ণকান্ত রায়ের বখাটে ছেলে সুজনের সাথে কুড়–লিয়া গ্রামের গৌরাঙ্গ ওঝার ছেলে গৌতমের সাথে বাকবিতন্ডা ও মারামারি হয়।

সেই ঘটনার কোন মিমাংসা না হওয়ায় কুড়–লিয়ার সুশীল হাওলাদারের ছেলে গোপালগঞ্জ পলিটেকনিকের ছাত্র সোহাগকে এবং কিছুদিন পরে অমূল্য নাটুয়ার ছেলে বিন্দুকে কারফা পেয়ে সুজন রায় তার ভাই শ্যামল রায়, কমলেশ রায় ও আরও কয়েকজন মিলে মারধর করে। এঘটনায় স্থানীয়রা কোন মিমাংসা না করায় একটি কুচক্রীমহল ইন্ধন জোগায়। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভ্যানচালক শ্যামলকে মারা হয়। এবিষয়ে আহতের পরিবার জল্লা ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে জানালে তিনি ঢাকা আছেন জানিয়ে আহতের চিকিৎসা করিয়ে তাদের থানায় অভিযোগ জানাতে বলেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

আরও অন্যান্য সংবাদ


Nobobarta on Twitter




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com