,

পিরোজপুর আওয়ামী লীগের কাণ্ডারি এমপি আউয়াল

সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের অবস্থান অত্যন্ত মজবুত। এর পিছনে বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম আউয়াল এমপি’র অবদান অনস্বীকার্য। তিনি যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর শক্ত ঘাঁটি ভেঙে পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের দুর্গ গড়েছেন। জোট সরকারের আমলে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। তার অত্যাচারে দলের নেতা-কর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এসময় একদল কুচক্রি নিজেদের স্বার্থে হাত মেলায় ওই চক্রের সাথে। সে সময়ে দিশেহারা দলীয় কর্মীদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম আউয়াল।

তিনি জামায়াত শিবিরের বিষাক্ত নখরে ক্ষত-বিক্ষত নেতা-কর্মীদের একত্রিত করে পিরোজপুর আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করেন। এরই প্রতিদানে ১৯৯৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাকে পিরোজপুর সদর আসনে মনোনয়ন দেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। ব্যক্তি ইমেজ ও দলীয় আনুকূল্য কাজে লাগিয়ে তিনি রাজাকার দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে ৯ম জাতীয় সংসদের এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২য় বারের জন্য এমপি নির্বাচিত হন। এখানেই শেষ নয় তার কর্মদক্ষতা জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে পিরোজপুরের প্রতিটি ইউনিটে আওয়ামী লীগ হয়েছে সুসংগঠিত।

তিনি নিজে কেবল আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিত প্রাণ এমন নয়, তার স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী।তিনিও দেশরতœ শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেণ।তার বড় ছেলে জনাব আব্দুর রহমান এলাকায় সন্ত্রাস ও মাদক সেবা নিয়ন্ত্রন করার জন্য তরুন সমাজকে নিয়ে গড়ে তুলেছে ইউনাইটেড রয়েল ক্লাব নামের একটি সংগঠন।আব্দুর রহমান এই সংগঠনের মাধ্যমে তরুন সমাজকে মাদক সেবন না করে খেলাধুলা ও বিভিন্ন কাজ কর্মে উদ্ভূদ্ধ করেন। সাহস, নেতৃত্ব, ঐকান্তিকতা দিয়ে পিরোজপুরে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করতে পারায় একটি কুচক্রি মহল দল নয়, ব্যক্তি স্বার্থে তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে বেড়াচ্ছেন। তাদের দল বিরোধী ভূমিকা যে আজই প্রথম তা নয়। এর আগেও তারা আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদারকে পরাস্ত করতে রাজাকার সাইদীর সাথে আঁতাত করেছিলেন।

২০০১ সালে সাঈদীর জয়লাভের পেছনে তাদের ভূমিকা ছিল বেশি। দলের দুর্দিনে তাদের পাওয়া না গেলেও সুদিনে দলকে বিভ্রান্ত করতে তাদের জুড়ি মেলা ভার। তারা এলাকায় থাকেন না দল ও জনগণের সাথে সম্পর্ক রাখেন না। তারপরও এমপি একেএম আউয়ালের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত করতে এক শ্রেণির মিডিয়া কর্মীকে ব্যবহার করতে পিছপা হচ্ছেন না। তাদের দিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় পরিবেশন করানো হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলক তথ্য। পিরোজপুরে এমপি একেএম আউয়ালের বিরুদ্ধে আনা বানোয়াট তথ্য ও বাস্তবতা এক নয়। এমপি একেএম আউয়ালের নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারা অব্যাহত থাকলে নিন্দুকের মুখে দিয়ে কাঁটা এগিয়ে যাবে আওয়ামী লীগের জয় পতাকা। এমনটি মনে করে পিরোজপুরের আমজনতা।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


Udoy Samaj

টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com