,

একটি শাহবাগ আন্দোলনের জন্ম না হলে ।। ফকির ইলিয়াস

আন্দোলনটি মূলত শুরু করেছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ জননীর সঙ্গে মঞ্চে গিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। এসব অনেক ঘটনা আমাদের মনে আছে। ১৪ অক্টোবর ১৯৯২ সালে মহাসমাবেশের মঞ্চে কবি বেগম সুফিয়া কামাল ও জননেত্রী শেখ হাসিনা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পাশে গিয়ে বসেছিলেন। তা ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এটা শহীদ জননী নিজেও জানতেন, বাংলার মাটিতে ঘাতক-দালালদের বিচার আওয়ামী লীগই করবে এবং এর নেতৃত্ব শেখ হাসিনাই দেবেন। ১৯৯৩ সালে তিনি সে কথা আমাকে নিউইয়র্কে একান্ত সাক্ষাৎকারে খুব স্পষ্ট করেই বলেছিলেন। এটাও বলেছিলেন, এর জন্য প্রজন্মকে তৈরি হতে হবে। বলে রাখি, সেই তৈরি হওয়া প্রজন্মই শাহবাগ আন্দোলন।

আমাদের মনে আছে, শাহবাগ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, আমার ইচ্ছে হয় শাহবাগে ছুটে যাই। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করি। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তিনি জাতীয় সংসদে বলেন, ‘আমার মনও শাহবাগের আন্দোলনে ছুটে যেতে চায়।’ তিনি বলেন, তিনি তরুণ প্রজন্মকে বলতে চান, তার দলও তাদের সঙ্গে একমত। তাদের শপথ বাস্তবায়নে যা যা করা দরকার, তারা তা করবেন। তরুণ প্রজন্ম জাতীয় সংসদে যে স্মারকলিপি দিয়েছে, তার প্রতিটি কথা যুক্তিসঙ্গত।

ট্রাইব্যুনাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। এবার ক্ষমতায় এসে সেই অঙ্গীকারই বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিচারের রায় দেবেন ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু আইন মেনেই তারা চলবেন। তারপরও ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেন, মানুষের আকাক্সক্ষা ও গণদাবি যেন তারা বিবেচনায় নেন। মহান সংসদের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের কাছে মানুষের আকাক্সক্ষা বিবেচনা করার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।

শাহবাগের আন্দোলনকে অভূতপূর্ব জাগরণ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা অদ্ভুত ঘটনা ঘটিয়েছে। অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি করেছে। জাগরণ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে গেছে। প্রতি জেলা, প্রতি উপজেলায় সব জায়গায় মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠেছে। আন্দোলনে সোচ্চার শিশু, নারী, বৃদ্ধ, তরুণ-তরুণী সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। আন্দোলনের কারণে শাহবাগের নাম আর শাহবাগ না থেকে স্বাধীনতার তরুণ প্রজন্ম স্কয়ার হতে পারে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে ওই এলাকায় শাহবাগ নামে একটি হোটেল ছিল। তাই সেখানকার নাম শাহবাগ রাখা হয়। এই নামে এক ধরনের পাকিস্তানি গন্ধ আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা যে প্রতিভা দেখিয়েছ, তাতে মনে হয়, এখন খুব স্বস্তিতে মরতে পারব, শান্তিতে মরতে পারব।’ প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, তরুণ প্রজন্মের আজকের আন্দোলন দেখে তারাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। তারুণ্যের আজকের আন্দোলন দেখে আর কোনোদিন এ দেশে রাজাকার-আলবদরের ঠাঁই হবে না- এই বিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। এর আগে শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে একাত্মতা প্রকাশ করেন মহাজোটের সংসদ সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণাসহ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সর্বোচ্চ রায় ফাঁসির দাবি জানান তারা।

সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম আলোচনার সূত্রপাত করেন। এরপর একে একে ৩২ জন সংসদ সদস্য প্রায় আড়াই ঘণ্টা আলোচনায় অংশ নেন। সবশেষে বক্তব্য দেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই ঘটনার পরপরই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল বিএনপি। তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বলছিল, বিচারকেরা নিজস্ব মূল্যায়ন, যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে রায় ঘোষণা করতে না পারলে মানবতাবিরোধী অপরাধের সমগ্র বিচারিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। শাহবাগের আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি এ কথা বলে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এই কথা বলা হয়। দলের যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, রাজনৈতিক ঘরানার ব্যক্তিদের হাতেই শাহবাগের আন্দোলনের নেতৃত্ব কুক্ষিগত করার প্রয়াস চলছে। ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রকে রক্ষা এবং অব্যাহত রাখতে’ নতুন প্রজন্ম একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা গ্রহণ করবে বলেও আশা করছে দলটি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দেশের মানুষের আকাক্সক্ষা বিবেচনা করে অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ বিচারকদের অনুরোধ জানিয়ে, সমগ্র জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে শাহবাগের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সমাবেশ মঞ্চের ঘোষণা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন। অথচ মানবতাবিরোধীসহ যে কোনো অপরাধে অভিযুক্তদের যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারপ্রধানের। বিচারকরা তাদের নিজস্ব মূল্যায়ন, যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্য- প্রমাণের ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে যদি রায় ঘোষণা করতে না পারেন তাহলে সমগ্র বিচারিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। এটা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।’ বিএনপির নীতিনির্ধারকরা ওই বিবৃতিতে বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে অবশ্যই মানবতাবিরোধী অপরাধসহ সব ধরনের অপরাধের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করবে। বিএনপি সব সময় যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে। একই সঙ্গে বিচারটি যাতে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, সষ্ঠু ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয় বিএনপি সে দাবিও জানিয়ে আসছে। বিএনপির এই দাবির প্রতি সম্মান দেখালে বিচারটি প্রশ্নবিদ্ধ হতো না।

আমরা লক্ষ করতে পারি, এভাবেই শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া তাদের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে ফেলেন। বাংলাদেশ দেখে, কে কার পক্ষ নিচ্ছেন। এভাবেই এগিয়েছে শাহবাগ আন্দোলন। আরো পেছন ফিরে তাকালে আমরা দেখব, বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি এর পূর্ব থেকেই এই বিচার চেয়ে আসছিল। শহীদ জননীর রেখে যাওয়া এই একই দাবিতে বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু প্রিয় বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ২০০৯ সাল থেকে একটি সংগঠন কাজ করেছে প্রতিনিয়ত। ক্যাম্পাস অঙ্গনের রাজপথে তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম আর যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থান ছিল সদা দৃশ্যমান। সেই সংগঠনটির নাম ‘¯েøাগান ’৭১’। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংগঠন। ২০১৩ সালে কাদের মোল্লার রায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্যাম্পাসে ¯েøাগান ’৭১ এর প্রতিবাদী মিছিলটিই ছিল সারাদেশের মধ্যেই প্রথম সংঘবদ্ধ প্রতিবাদ। সেই মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করেছিলেন। শাহবাগ আন্দোলন ছিল এমন অনেক প্রান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষের প্রাণের সম্মিলন। শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন বরেণ্য কবি শহীদ কাদরী। তিনি ছিলেন খুবই নির্ভীক মানুষ। এখনো তার কথা আমাকে শাণিত করে। শহীদ কাদরী বলেছিলেন, শাহবাগ প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা আমাকে আবারো চমকে দিয়েছে। যেমনটি আমি একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালির মাঝে দেখেছিলাম। কবি বলেছিলেন, আমি ভেবে পাই না একাত্তর পরবর্তী সময়েই কেন এসব ঘাতক-দালালদের ফাঁসিতে ঝুলানো হয়নি। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশে কি এমন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, যারা কাদের মোল্লার মতো একজন খুনিকে হত্যা করতে পারল না! ভেবে অবাক হই, এমন চিহ্নিত একজন ধর্ষক কিভাবে এতদিন বেঁচে আছে! তার কথা শুনে শিউরে উঠি। এই যে শাহবাগ আন্দোলন, তা থামাতে কি কম চেষ্টা হয়েছিল? ২২ মে ১০১৩ দৈনিক জনকণ্ঠের বিপোর্টে আমরা জানি, রাজাকার শিরোমণি গোলাম আযমের রায়ের পর জামায়াত-শিবিরের নাশকতার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছিল। বোমা, ককটেল ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে ২০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে তারা। এই টাকা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় বণ্টনও করা হয়। বিভিন্ন কর্মসূচিতে জেলা ও থানা শহর থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসেছিল। তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে গেছে। জামায়াতের সঙ্গে থাকা ধর্মীয় উগ্রপন্থী সংগঠনের কর্মীরাও প্রস্তুত রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা এ খবর দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে- তাদের কাছে রিপোর্ট রয়েছে, শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের বিচারে রায় যাই হোক না কেন জামায়াত-শিবির গত ২৮ ফেব্রুয়ারির মতো দেশজুড়ে তাণ্ডব চালাবে। এই তাণ্ডবের জন্য বিরাট অঙ্কের একটি তহবিল গঠন করেছে জামায়াত। প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া গেছে। সরকারের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তারা টাকার অঙ্ক আরো বাড়াতে পারে। সরকার যদি কঠোর অবস্থানে থাকে- সে ক্ষেত্রে তাদের প্রস্তুতির কৌশল পরিবর্তন করবে। এতে বেশি টাকার প্রয়োজন হবে বলে জামায়াতের নেতারা মনে করছেন। বোমা তৈরির জন্য দেশের বাইরে থেকে দক্ষ লোকও তারা দেশে নিয়ে এসেছে। যেসব জায়গায় জামায়াতের শক্তি বেশি সেইসব এলাকায় তারা কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া নাশকতা চালানোর জন্য বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র মানুষকে টাকা দিয়ে পক্ষে নিয়েছে। বিচারের রায় ঘোষণার পর পরই জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে তারা নাশকতায় যোগ দেবে। বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রশিক্ষিত ছাত্রদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। কুখ্যাত রাজাকার কামারুজ্জামানের রায় নিয়ে জামায়াত কোনো প্রতিবাদ জানায়নি। তারা অপেক্ষায় রয়েছে গোলাম আযমের রায়ের। এ রায় যাই হোক না কেন তবু তারা হিংসাত্মক কার্যক্রম চালাবে। কারণ কামারুজ্জামানকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। কামারুজ্জামানের রায় আর গোলাম আযমের রায় একসঙ্গে মিলিয়ে তাদের রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই রোডম্যাপ বেশ কয়েকদিন আগেই করেছে। জামায়াত-শিবিরের ফোনালাপ থেকে রোডম্যাপ সম্পর্কে জেনেছে। বিভিন্ন জেলায় সংস্থাটি বেশকিছু প্রশিক্ষিত জামায়াত-শিবির কর্মীর একটি তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকা সরকারের ওপর মহলে পাঠিয়েছে।

এই ছিল সেই সময়ের অবস্থা। সেই অবস্থা উত্তরণে শাহবাগ আন্দোলন অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করেছে। সবিনয়ে বলতে চাই, শহীদ জননী যে আন্দোলন করেছিলেন তার একটি আইনি সমাধানের পথ প্রশস্ত করে আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে। বেনিফিসিয়ারিও হয়েছে আওয়ামী লীগের মহাজোট। শাহবাগ আন্দোলনও সমর্থন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এর বেনিফিসিয়ারিও হয়েছে আওয়ামী লীগ। আমরা যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলি, আমাদের ঐক্যের মূল ¯্রােত এভাবেই মিশেছে বারবার বাংলার জলে ও মাটিতে।

আজ যারা এই শাহবাগ আন্দোলনকে খাটো করে দেখছেন, কিংবা নানা ধরনের হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলছেন তাদের অদূর ইতিহাস আবারো পড়া দরকার। সেই সঙ্গে গণজাগরণ মঞ্চেরও উচিত বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা না বলা। কারণ যা করার আওয়ামী লীগই করেছে এবং ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগই করবে। আর কোনো দলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের দরজা বাংলাদেশে উন্মোচিত হয়নি। হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে হলে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। তাই সবাইকে সংযত হতে হবে। তা না হলে এই সুযোগে অপশক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে।

——————
শনিবার, ৩ জুন ২০১৭

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com