সোমবার, ২৩ Jul ২০১৮, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

English Version


মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুল

মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুল



মারুফ রুসাফি, নওগাঁ : নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলায় সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে,সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধর্মী হিসাবে গড়ে উঠেছে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুল। এই প্রতিবন্ধী স্কুল টি এলাকর হত দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী অভিভাবকদের এক নতুন আশার নাম। মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুল টি এলাকাতে ব্যপক সাড়া জাগালেও পাননি সরকারের তেমন কোনো সু নজর যার ফলে জোটেনি কোনো সরকারী সহায়তা। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে এলাকার প্রায় ২৫৭জন প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীর অধ্যয়ন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে পোরশা উপজেলার নিতপুর কপালির মোড়ে স্থাপন করা হয় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান ২০১৩ সালে ১০ শতাংস জমির উপর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং তিনি জানান যে তার মৃত বাবা মো: মোবারক হোসেনের নামে নাম করন করা হয়েছে মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুল।স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান আলী একজন স্থানীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দেখা যায় ৬টি আধাপাকা রুম এর মধ্যে ৩টি শ্রেণী কক্ষ, একটি অফিস কক্ষ ও একটি সেবা কক্ষ। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক সহ ১১ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী কর্তব্যরত রয়েছে। বিদ্যালয়ে মোট ২৫৭জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে ছাত্র ১৩০জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১২৭জন। এদের মধ্যে শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী ৫০ জন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ৭০ জন,দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ৪০ জন, বাক প্রতিবন্ধী ৪০ জন, ডাউন সিনড্রোম ১০ জন, সেরিব্রাল পালসি ১০ জন, এবং বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধী ৩৭ জন। এখানে প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত যাদের বয়স ৫-২০ বছর সে সকল প্রতিবন্ধীদের ভর্তি নেন বলে জানান স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: মওদুদ আহম্মেদ বলেন এখানে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো প্রকার বেতন নেওয়া হয় না অর্থাৎ সম্পূর্ণ বিনা বেতনে আমরা ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দিয়ে থাকি।

তিনি আরো জানান স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা জনাব শাহজাহান আলীর পিতা ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রতিবন্ধীদের প্রতি একান্ত ভালোবাসা থেকেই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

স্থানীয় এমপি বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার, জেলা প্রশাসক ও পোরশা উপজেলা প্রশাসন কিছু অবকাঠামোগত সহযোগীতা করলেও পাননি তেমন কোনো বড় ধরনের সরকারী সহায়তা। স্কুলের যাবতীয় খরচ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চলে বলে জানান স্কুল কর্তৃপক্ষ।

সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবে স্কুলটির উন্বায়নে এমনটিই প্রত্যাশা করেন স্থানীয় লোকজন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




ফুটবল স্কোর



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com