শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

সেহরী ও ইফতার সময় :
আজ ২৪ মে বুধবার, রমজান- ৭, সেহরী : ৩-৪২ মিনিট, ইফতার : ৬-৪২ মিনিট, ডাউনলোড করে নিতে পারেন পুরো ফিচার- সেহরী ও ইফতার-এর সময়সূচী


বলতে হবে বলাতে হবে, এ পৃথিবী আমার : আবু রায়হান মিসবাহ

বলতে হবে বলাতে হবে, এ পৃথিবী আমার : আবু রায়হান মিসবাহ

আবু রায়হান মিসবাহ



মানুষ জন্মগতভাবে মানুষ হিসাবে পরিচিতি পেলেও ‘মনুষ্যত্ব’ অর্জন করতে হলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার প্র‍য়োজন। আর এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে পারিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরিবারকে মানব জাতির প্রাথমিক শিক্ষালয় বলা হলেও বর্তমান সমাজচিত্র ভিন্ন। যথার্থ জীবন আদর্শের অভাবে পরিবারগুলো এখন ভোগবিলাস ও পরশ্রীকাতর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা ও ধনবাদী ধ্যান-ধারণায় গড়ে উঠেছে ভারসাম্যহীন সমাজ। আদর্শের সংগ্রামে পরাজিত ব্যক্তিরা বর্তমান সমাজনেতা। তারা সমাজ পরিচালনা করছে নৈতিকতার ভিত্তিতে নয় বরং স্বার্থের মোহে। উপনিবেশ শাসনের অবসানের পর এদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা ত্রুটিপূর্ণ ছিল। ফলে দক্ষ, যোগ্য ও নৈতিকতাসমৃদ্ধ নৈতিক শিক্ষক নিযুক্ত করতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়। যার বিরূপ প্রভাব সমগ্র সমাজব্যবস্থায়। সাম্প্রতিক সময়ের শিশুহত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই, সন্ত্রাস, নকলপ্রবণতা, খাদ্যে ভেজাল, নকল ঔষধ ইত্যাদি সমাজের করুণ রূপ। সমাজের মানুষ কেউ কারো বন্ধু নয়। প্রত্যেকে পরোক্ষ ভাবে একে অপরের ক্ষতিসাধনে মগ্ন।

এই অস্থির, নিয়ন্ত্রণহীন বিরূপ সমাজ ব্যবস্থার দায় কারো একার নয়, বরং সমগ্র নাগরিকের। প্রত্যেক ভূমিকা পালন করতে হবে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায়, সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে। সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেক পরিবারে নৈতিক শিক্ষার চর্চা করতে হবে। ধর্মীয় বিশ্বাসের চর্চা করতে হবে ব্যাপকভাবে। অনুসরণ করতে হবে মহৎ ব্যক্তির জীবন আদর্শ। শ্রদ্ধাশীল হতে হবে সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জোরদার করতে হবে নৈতিক শিক্ষার চর্চা।

পৃথিবী আমাদের। সমাজ ও রাষ্ট্রের সুখ-সমৃদ্ধির নিয়ন্ত্রক আমরাই। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সংহতি শান্তিপ্রিয় মানুষের কাম্য। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিবার-সমাজ, অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চিন্তা-চেতনায় বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও বিশ্বাস প্রায় শূন্যের কোঠায়। মানুষের মধ্যে প্রাণ আছে কিন্তু মন নেই। আবেগ অনুভূতি নিরুদ্দেশ। মানুষের অবচেতন হৃদয় শান্তির সন্ধানে ঘুরপাক খাচ্ছে। পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সমাজকে সক্রিয় হতে হবে। নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে জাগ্রত করতে হবে সমাজকে।

সামাজিকভাবে বাস করতে গিয়ে মানুষ কতগুলো আদর্শ বা মানদণ্ড সাধারণভাবে গ্রহণ করে নেয়। সমাজে মানুষের যা কিছু করা উচিত, যা কিছু মঙ্গলজনক মনে করে তার আদর্শ রূপই হচ্ছে মূল্যবোধ। সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজন সামাজিক স্থিতিশীলতা। প্রয়োজন নৈতিকতা, মূল্যবোধের চর্চা ও বিকাশ সাধন। নৈতিকতা ও মূল্যবোধের উপাদান তথা সততা, কর্তব্য, ধৈর্য, শিষ্টাচার, উদারতা, সৌজন্যবোধ, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম, কল্যাণবোধ, পারস্পরিক মমত্ববোধ, জবাবদিহিতা, সহমর্মিতা, আত্মত্যাগ ইত্যাদি মানবীয় গুণের চর্চা বর্তমান সমাজে নেই। সমাজ চলছে বিপরীত স্রোতধারায়। নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ে মানুষের হৃদয়বৃত্তিতে ঘটছে অকাম্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন। সমাজ ও পরিবারে বেজে উঠছে ভাঙনের সুর। নষ্ট হচ্ছে পবিত্র সর্ম্পকগুলো। চাওয়া পাওয়ার ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে অনেক বেশি। ফলে বেড়ে চলেছে আত্মহত্যাসহ অন্যান্য অপরাধপ্রবণতা। মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব সম্পর্কের এমন নির্ভেজাল জায়গাগুলোতে ফাটল ধরেছে। ঢুকে পড়েছে অবিশ্বাস। আর এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর প্রেমময় সম্পর্কে সৃষ্টি হয়েছে আস্থার সংকট।

সমসাময়িক কালে গুলশান ও শোলাকিয়ায় সংঘঠিত হামলায় আমরা শংকিত। সমগ্র দেশবাসী কিংকর্তব্যবিমূঢ়। যারা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত তারা সকলে সদ্য শিশুকাল পার করা তরুণ প্রজন্ম। যাদের বয়স ১৮-২৬ এর মধ্যে। সকলেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী উত্তীর্ণ। সদ্য পারিবারিক খোলসমুক্ত ধনাঢ্য পরিবারের আদরের সন্তান। সত্য-অসত্য , ভাল- মন্দ, নীতি-নৈতিকতা ইত্যাদি বিবেচনার ভিত্তি তাদের মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়নিই। দেশে প্রচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় সংস্কৃতির ও আধুনিক শিক্ষার চর্চা হয়। ইংরেজি নববর্ষ বরণ করা হয় মহাযজ্ঞে। কিন্তু জাতীয় দিবস পালন করা হয় অতি সাধারণ ও রুগ্ন পরিবেশে। ফলে আমাদের প্রিয় প্রজন্ম দেশের সন্তান হিসেবে অভিন্ন ধ্যানধারণা নয় বরং ভিন্ন ভিন্ন ধ্যানধারণায় বড় হচ্ছে। জাতির জন্য ক্রমাগত হুমকি স্বরূপ।

আজ আমাদের সকলের মনে একটিই প্রশ্ন। নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত নয় বরং ধনী পরিবারে বেড়ে ওঠা সন্তানেরা কেন জঙ্গি- তৎপরতায় লিপ্ত। দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীরও একই প্রশ্ন। এ ক্ষেত্রে একটি মনোসামাজিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। শিশু বিকাশের একটি অন্যতম ধাপ হলো সামাজিক বিকাশ যা শিশুকে সামাজিক রীতি-নীতি, বিধি-বিধান ও আচার- আচরণের সাথে সম্মত রাখতে সহায়তা করে। সামাজিক বিকাশ জটিল সামাজিক ব্যবস্থায় শিশুকে সামাজিক দায়িত্ব কর্তব্য পালন সম্পর্কে সচেতন করে। এই বিকাশ প্রক্রিয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় শিশু সমাজের সকল পক্ষের সাথে মিলে মিশে সামাজিক মূল্যবোধ, আচার-আচরণ আয়ত্ত করে। একই সাথে শিশুরা সহপাঠীর সাথে সার্থক মেলামেশা, সকলের প্রতি সমবেদনা, অসহায়ের প্রতি দয়া প্রদর্শন, নম্রতা, ভদ্রতা, সৌজন্যতা প্রদর্শন ইত্যাদি গুণাবলী অর্জন করে। এ যাত্রা শুরু হবে পারিবারিক বলয় হতে। পারিবারিক আদর্শ শিশুর সামাজিক বিকাশের ক্ষেত্রে অন্যতম শক্তি। কিন্তু পরিবারে যদি নৈতিকতা, ধার্মিকতা, ন্যায়পরায়ণতার চর্চা করা না হয় বরং অনৈতিক, অসাধু বা অবৈধ পন্থায় বিত্তশালী হওয়ার প্রতিযোগিতা থাকে। তবে নিজ সন্তান হবে আদর্শচ্যুত। পিতা-মাতা সন্তানের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবে। সন্তান তাদের পিতা-মাতা ও পরিবারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হবে। পরিণতি কৈশোর বয়সেই চরমপন্থা অবলম্বন। এর প্রারম্ভিক দায় পিতা-মাতার। সামাজিক সদস্য হিসেবে আমাদের ও সকলের।

সাময়িক ঐশ্বর্য, লৌকিক অর্জন বিসর্জন দিয়েই যেতে হবে চিরস্থায়ী গন্তব্যে। সমাজসেবা, সমাজকল্যাণ ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্জিত হবে জাগতিক প্রশান্তি। সুপ্রশস্ত হবে পারলৌকিক জগতের বিলাসী অভিযাত্রা। ধার্মিকতা রাষ্ট্রের সকল ধর্মের, বর্ণের মানুষের সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান মৌলিক শক্তি। নৈতিকতা, আদর্শ ও মূল্যবোধের মূল ভিত্তি। সন্তানদের পড়াশুনায় অভিভাবকগণ সবচেয়ে উদ্বিগ্ন ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে। কিভাবে এই জটিল বিষয়সমূহ সহজে আয়ত্ত করে পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করা যায় তার কৌশল নিয়ে সবাই ব্যস্ত। পরীক্ষা, পরীক্ষা আর পরীক্ষা! এখন অনেকে বলতে শুরু করেছেন- দেশে আর শিক্ষার্থী নাই, সবাই পরীক্ষার্থী হয়ে গেছে। পরীক্ষায় ভাল ফল না করতে পারলেতো ভবিষ্যত অন্ধকার! সাথে আছে ভাল প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা।

অতি সংক্ষিপ্ত পথে জীবনে সফল হওয়ার জন্য আমাদের অন্তহীন প্রচেষ্টা। অথচ জ্ঞানীরা বলে থাকেন, ‘সফলতার কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই।’ আমরা এত জটিল বিষয়সমূহ নিয়ে চিন্তা করি অথচ একবারের জন্যও সন্তানের নৈতিক শিক্ষার বিষয়টিকে আমলে নেইনি। শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে কিংবা অভিভাবকদের ভাবনার মধ্যে যদি এটি না আসে তবে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন সম্ভব নয়। নৈতিক শিক্ষার বিষয়টি অবহেলিত হওয়ার ফলে নানাবিধ সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। যদি শিক্ষার্থী নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত না হয় তাহলে কিভাবে সে সঠিক ও ভুলের পার্থক্য নির্ণয় করবে? অভিভাবক ও শিক্ষক প্রত্যেকেরই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার একমাত্র লক্ষ্য জ্ঞান অর্জন। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর নৈতিক মূল্যবোধের ধারণা লাভ করা প্রয়োজন। আমাদের সন্তানেরা ভবিষ্যতে ভাল অভিভাবক এবং সুনাগরিক হিসাবে গড়ে উঠবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আগামি দিনে তারাই দেশ ও জাতির নেতৃত্ব প্রদান করবে। প্রতিটি শিশু পরিবার- পিতা-মাতার কাছ থেকেই নৈতিক শিক্ষা লাভ করবে। কিন্তু আমাদের সন্তানেরা পিতামাতার সান্নিধ্য খুব বেশি পায় না।

যদি বাবা-মা চাকরিজীবী হন তাহলে তারা তেমন একটা সন্তানকে সময় দিতে পারেন না। বাসার কাজের লোকের তত্ত্বাবধানে থেকেই মূলত সন্তান বেড়ে উঠে। অথচ সন্তান যত বেশি মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে বেড়ে উঠবে তার সুপ্ত গুণাবলির বিকাশ তত কাঙ্ক্ষিত হবে। মা-বাবা, দাদা-দাদী, আপনজন ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে বেশি করে সময় পেলে শিশুদের সামাজিকীকরণ সুন্দর হয়। আর সুন্দর পরিবেশে শিশু বেড়ে উঠার সুযোগ পেলে তারা মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হয় এবং সত্য ও সুন্দরকে চিনতে পারে।

মা-বাবা, অভিভাবক কিংবা শিক্ষকদের আচরণে বৈপরীত্য থাকলে তা শিশুদের মনে সাংঘাতিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু যে শিক্ষা পায়, সেটা বাস্তবে না মিললে তার মন দোদুল্যমান হয়ে উঠে। শিক্ষকদের কাছ থেকে সে শিখে- সদা সত্য কথা বলতে হয়, ধূমপান ক্ষতিকর, দুর্নীতি করা অন্যায়, অসৎ উপার্জন বর্জনীয় ইত্যাদি। বাবা-মা, শিক্ষকগণ তাদের জন্য রোল মডেল। কিন্তু তারা যখন দেখে তাদের অতি আপনজনেরা অনেক সময় সত্য কথা বলছেন না, বাবা ধূমপান করেন, চারদিকে যারা আয়ের সঙ্গে বৈষম্যহীন জীবন যাপন করেন তাদের জীবন অনেক বেশি আরামদায়ক, তখন তারা সাংঘাতিকরকম মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে। মানসিক চাপটা এক সময় বিস্ফোরণ ঘটায়। বাস্তবতা ও সত্যের মধ্যে মিল না থাকায় তারা অচেনা হয়ে যায়।

কোনটি তারা গ্রহণ করবে, শিক্ষকদের নীতিবাক্য নাকি চারদিকের বিরাজমান বাস্তবতা। ফলে তাদের মনে যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় তা থেকে তাদের আচরণে ও অসঙ্গতি দেখা যায়। তারা মনে করতে থাকে মাঝে মাঝে অসত্য কথা বলা যায়, নেশা করা খুব বেশি ক্ষতিকর নয়, আর দুর্নীতি অন্যায় নয়। তখন নামকরা স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা তাদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে না। তারা পরিচিত পরিবেশে অপরিচিত হয়ে যায়।

আমাদের সমাজেও নানা সমস্যা রয়েছে। আমাদেরকেও সতর্ক থাকতে হবে। অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের সচেতন করতে হবে, যাতে তারা হতাশাগ্রস্ত না হয়। সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে তাদের সঙ্গে জীবনের নানাবিধ পরিকল্পনা শেয়ার করা উচিত। তাদের পছন্দ-অপছন্দকে মূল্য দিয়ে তাদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল আচরণ করা প্রয়োজন। তাদের বুঝানো যেতে পারে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ ছাত্র জীবনে কখনো তাদের কল্যাণ আনতে পারে না। অর্থ ব্যয়ে মিতব্যয়িতার শিক্ষা ও বন্ধু নির্বাচনে বাস্তবতা ও পারিবারিক মূল্যবোধকে বিবেচনায় নিতে হবে। অর্থনৈতিক ও বাস্তব জীবনের সম্পর্ক তাদের বুঝাতে হবে। শিশুর বন্ধু হতে হবে বাবা-মাকে।

সন্তানকে বড় এবং বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাতে হবে। বাবা-মা’র সান্নিধ্যে থেকে মুক্তভাবে সন্তানের নিজস্ব আকাশে ওড়ে বেড়ানোর সুযোগ দিতে হবে। সন্তানকে বুঝান যায়, মা-বাবা-শিক্ষক আদর্শ মানুষ। আমার দেশ সব দেশের সেরা। মানবতার কল্যাণ সর্বাগ্রে। বলতে হবে বলাতে হবে এ পৃথিবী আমার- অন্তত নিজের জন্য হলেও পৃথিবীটাকে সাজাতে হবে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media








© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com