বুধবার, ১৮ Jul ২০১৮, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

English Version
সংবাদ শিরোনাম :
ফয়সাল হাবিব সানি’র ১০টি সেরা উক্তি কোটা সংস্কার আন্দোলনঃ জাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কুবি’র লোক প্রশাসন বিভাগে বিতর্ক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীনগরে রাইস মিলের ফিতায় পেচিয়ে নানা-নানী ও মায়ের সামনেই শিশুর মৃত্যু কাউখালীতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন জাবিতে ধর্ষণের হুমকির বিচার চেয়ে মানববন্ধন কোম্পানীগঞ্জে বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজদের হামলার শিকার ম্যাজিস্ট্রেট, আটক ৭ লাটিম মার্কায় ওয়ার্ডবাসীর সমর্থন প্রত্যাশা করছি : কয়েস লোদী অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আটক সামিরক হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে দ. কোরিয়ায় নিহত ৫


বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির অভিযোগ নিষ্পত্তি এক মাসের মধ্যে

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির অভিযোগ নিষ্পত্তি এক মাসের মধ্যে



বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ বছরের পর বছর ধরে আর ঝুলে থাকবে না। এক মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ নিষ্পত্তি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর’ (ডিআইএ) অভিযোগ পেলে তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত ১৩ মার্চ এক সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (আইন ও অডিট) শামীম আল রাজিকে আহ্বায়ক করে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অডিট) মো. রাহেদ হোসেনকে সদস্য সচিব এবং অন্য দু`জন উপসচিবকে সদস্য করা হয়েছে।

সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিআইএর প্রতিবেদন বাস্তবায়ন করতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই সভায়। এগুলো হলো- প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী অবৈধভাবে এমপিও গ্রহণ বা আর্থিক দুর্নীতির অর্থ এক মাসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। জাল ও ভুয়া সনদে চাকরি করা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শাতে হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে এমপিও বন্ধ ও এক মাসের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে হবে।

ডিআইএর যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের প্রধান শর্ত মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হলে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আমাদের পরিদর্শন প্রতিবেদনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো না কোনো অনিয়ম ধরা পড়ে। কর্তৃপক্ষের (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) কাছে সুপারিশ করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হতো না। ডিআইএর সুপারিশ বাস্তবায়নে কমিটি গঠন একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভেঙে দুটি বিভাগ করার আগে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি ডিআইএর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করত। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ’ এবং ‘কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ’ নামে দুটি বিভাগ গঠন করা হয়। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ডিআইএর প্রতিবেদন পর্যালোচনায় কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




ফুটবল স্কোর



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com