মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

English Version
সংবাদ শিরোনাম :
আসন্ন নির্বাচনে ভালো প্রার্থী মনোনয়ন দিন : রাষ্ট্রপতি ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করতে চান ট্রাম্প শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে রাজি ড. কামাল দেশের উন্নয়নে প্রধান বাঁধা মাদক সন্ত্রাস- ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি মুন্সীগঞ্জে পুলিশের নারী ব্যারাক উদ্বোধন করলেন আইজিপি মহানগর যুবদল নেতা নয়নের অসুস্হ বাবার রোগমুক্তির জন্য দোয়া প্রার্থনা সিসিকের নতুন সিইও বিধায়ক রায় চৌধুরী সিলেট নগরীর বন্দরে রুই মাছের পেটে ৬১৪ পিস ইয়াবা, আটক ১ ঝালকাঠি -১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মনিরুজ্জামানের ব্যাপক গনসংযোগ রাজাপুরে ১০ টাকা কেজির খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১২ বস্তা চালসহ ২০ টি কার্ড জব্দ
জবি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

জবি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান



জবি প্রতিনিধিঃ ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ ঘোষণা ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন’ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আজ (৫ ডিসেম্বর-২০১৭, মঙ্গলবার) ‘আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু ইতিহাস ও রাজনীতির বিষয়ে সচেতন ছিলেন। তাঁর বক্তব্যের দূরদর্শীতার কারণে ৭ই মার্চ ভাষণ আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দলিল হিসেবে গ্রহণীয় হয়েছে। ‘বাঙালির ইতিহাস রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস’- তাঁর ভাষণের এক লাইনের মধ্যেই বিবৃত হয়েছে বাঙালি জাতির পুরো ইতিহাস।”

তিনি আরো বলেন, “৭ই মার্চের ভাষণে শুধুমাত্র মুক্তিকামী মানুষের কথাই উল্লেখ ছিল না, সারা বিশ্বে যেখানে যেখানে নিপীড়ন, শোষন, বঞ্চনা চলছে-তাদের ব্যাপারে এখনও প্রাসঙ্গিক বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। পৃথিবীর কোন সংঘর্ষ আলোচনার মাধ্যমে শেষ করা-এটাও তাঁর ভাষণের একটি শিক্ষা। প্রত্যেক দেশেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ভাষণে বলেছেন, সেই সংখ্যালঘুদের দায়িত্ব সংখা গরিষ্ঠদের নিতে। আজকের দিনেও বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ চিরভাস্মর হয়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতপ্রাপ্ত ৭ই মার্চ ভাষণ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে তাই আরো বেশি গবেষণা প্রয়োজন।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি ঋত্বিক রায়-এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সাংস্কৃতি বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্চসারথী আতাউর রহমান এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সদস্য ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম গাজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জামান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান উপদেষ্টা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংস্কৃতি স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম তুর্য, সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নাল আবেদীন রাসেল বক্তব্য প্রদান করেন।

আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মধ্যে ছিল একক ও দলীয় নৃত্য, গান, অভিনয় ও আবৃত্তি পরিবেশনা। এছাড়া অঞ্জনা সুলতানা দুটি গান পরিবেশন করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com