রবিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৮, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

English Version
জবির ভর্তি নিয়ে প্রশাসনে ব্যাপক অনিয়ম

জবির ভর্তি নিয়ে প্রশাসনে ব্যাপক অনিয়ম



এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ২০১৭-১৮ সেশনের ১ম বর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ) মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ। এছাড়া ১ম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলেও এখন পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান অনুষদের) প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়নি। কলা অনুষদ ভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের ফিল্ম এ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হয়নি।

জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে মোবাইলে উত্তর পড়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ভিতরে দুই পরীক্ষার্থীর মোবাইল জমা নেয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত পরীক্ষার্থী আয়শা আক্তার সোহার মোবাইলের ফেসবুক মেসেঞ্জারে ১টা ১৬ মিনিটে এবং সাখাওয়াতের মোবাইলে ২টা ২৮ মিনিটে উত্তর পত্র পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এ উত্তরপত্রের সাথে পরীক্ষার প্রশ্ন পত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৫ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাসকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য ৭ দিনের সময় দেয়া হয়। কিন্তু তদন্ত কমিটি গঠনের এক মাস পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়নি তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতেই দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে। প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার সময় জালিয়াত সদস্যদের আটক করে মামলা দেয়া হলেও মুল হোতাদের আটক করা হয় না। এছাড়া পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা পুলিশ এসব মামলার খোঁজ খবরও রাখেন না। এ বছরও প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টিকে অতীতের মত ধামাচাঁপা দিতেই এখন পর্যন্ত তদন্তের কাজ শেষ হয়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাস সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে টেকনিক্যাল কিছু বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্তের কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। এছাড়া ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া দেশের বাইরে অবস্থান করায়ও দেরি হচ্ছে। তিনি দেশে ফিরলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com