শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

English Version
শাবি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অতিরঞ্জিত ভাবে সংবাদ উপস্থাপন; আসল তথ্য জানুন

শাবি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অতিরঞ্জিত ভাবে সংবাদ উপস্থাপন; আসল তথ্য জানুন



  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেলোয়ার হোসেন, শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে,সিলেট’-এর ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৮ নভেম্বর। তবে পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যাবহার করে জালিয়াতির চেষ্টা করলে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি।

এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষা না দিয়েই অপেক্ষমান তালিকায় স্থান পাওয়ার অভিযোগ তুলে দৈনিক প্রথম আলোতে ভর্তি পরীক্ষা না দিয়েও ভর্তিযোগ্য! শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হলে, “সাস্ট নিউজ” এবং “বিডিনিউজ আসল ঘটনার অনুসন্ধানে নামেন। উভয়ের অনুসন্ধান এবং তাদের প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়,
“মূলত ১১১৬৩৮৩ রোলধারী মো. আসিফুজ্জামান ইমন নামের নড়াইলের এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েও অপেক্ষমান তালিকায় (২৫৮৩তম) স্থান করে নেন।
ভর্তি কমিটির একজন সদস্য জানান, মূলত অন্য এক পরীক্ষার্থী ভুল করে একটি ডিজিট ভুল বৃত্ত ভরাট করায় এমন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। ঐ শিক্ষার্থী তার উত্তরপত্রে ১১১৬৩৮৬ রোল নম্বর এর জায়গায় ওএমআরে ১১১৬৩৮৩ রোল নম্বরের বৃত্ত ভরাট করেছিলেন। আবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রোলনম্বর ঠিকমত পূরণ করেছিলেন। তবে ডকুমেন্ট না মিললে ঐ শিক্ষার্থী কখনই ভর্তি হতে পারতো না বলে জানালেন তিনি।”
এছাড়াও সাস্টের ওয়েব সাইট থেকে পিডিএফ মুছার যে অভিযোগটি উঠেছে তা নিয়ে জানা যায় যে, “ অধিকাংশ সময়ে ই দু’দিন পর পিডিএফ মুছে ফেলা হয়। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা কমিটি তাদের ভুল সংশোধন করে সেটাকে পুনরায় আপলোড দেন।
ঘটনার সমালোচনায় একজন পরিদর্শক বলেন, “এই ভুল অথোরিটির না! পরীক্ষার্থীর ভুল, আর হল পরীদর্শকের অসতর্কতা!
ভর্তির সুযোগ যদি পায়, সেটি প্রকৃত শিক্ষার্থীই পাবে। আর কেউ যদি মনে করে কোন পরীক্ষার্থী জালিয়াতি করে এমনটা করে তাহলেও যে পরীক্ষা দেয়নি তার ভর্তি হবার সুযোগ নেই কারন প্রকৃত পরীক্ষার্থী ও পরিদর্শকের স্বাক্ষর সহ এডমিট কার্ড এবং উপস্থিতি পত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে সংরক্ষিত আছে! ভর্তির সময় যেটি অবশ্যই মিলিয়ে দেখা হয়!”
তিনি আরও বলেন, “
এই প্রবেশপত্র ও উত্তরপত্র সংরক্ষণ করা হয় ভর্তির সময় দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনের জন্য! কেউ একজন প্রথম পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যাবস্থায় ভুল করে ঢুকে গেল মানেই ভর্তি হয়ে গেল না! তাকে পরবর্তী ধাপ পেরিয়েই ভর্তি হতে হবে। আর এখানে যেহেতু একজন একজন করে সামনে বসিয়ে এসব যাচাই করা হয়, তাই কেউ চাইলেই ভর্তি হয়ে যেতে পারবে না!”

লাইক দিন

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com