বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

English Version
জাবিতে ২ দিনব্যাপী সতীর্থ বইমেলা শুরু

জাবিতে ২ দিনব্যাপী সতীর্থ বইমেলা শুরু



জাবি প্রতিনিধি # পাঠকের সঙ্গে লেখকের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। লেখক পাঠকের মনের চৈতন্য উন্মেষ ঘটান তার লেখনীর মাধ্যমে। আর পাঠকের জ্ঞান সমৃদ্ধ করা লেখকের দায়িত্ব। আর এভাবেই লেখক আর পাঠকের মধ্যে গড়ে ওঠে একটি অদৃশ্য সেতু।

এমনই ধারায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান প্রায় ৯০জন কবি, লেখক ও গবেষকদের প্রকাশিত গ্রন্থ নিয়ে দুই দিনব্যাপী ‘সতীর্থ বইমেলা’র আয়োজন করেছে নির্বান প্রকাশনী। এছাড়া এই বইমেলায় চারটি নতুন ধারার বই নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কবি, লেখক-গবেষকদের আত্মপ্রকাশ পায় নির্বান প্রকাশনীর। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্ত্বরে এই বইমেলা শুরু হয়ে আগামীকাল সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে।

নির্বান প্রকাশনীর বইগুলো হল- তানবীনা জাহান জুসির ‘অনঘ অররু’, স্নেহাশীষ চক্রবর্তী অভির ‘বিচ্ছিন্ন ফিকশন’, সুমন সরকারের ‘জীবনামৃত’ ও জহির সুমনের ‘বিনু বৃত্ত বড়ই দুর্বৃত্ত’। নির্বান প্রকাশনীর সদস্য স্নেহাশীষ অভি বলেন, ‘এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে আমি যেখান থেকে পড়াশোনা শেষ করেছি সেখানেই নিজের প্রথম বইটা প্রকাশ করতে পেরেছি। যেখান থেকে শুরু করছি সেখান থেকে আবারও শুরু করলাম এমনটা ভাগ্যের ব্যাপার। এমন বইমেলা প্রতিবছরে তিন চারবার হওয়া উচিত। এতে যারা নতুন লেখক তাদের সাথে প্রাক্তনদের একটা সাহিত্যবৃত্ত তৈরী হবে। নতুন লেখকদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং লেখার প্রতি আরও বেশি মনোনিবেশ করবে।’নিজের পেশাগত জীবনের পাশাপাশি অভি একদিকে যেমন লেখালেখি করেন অন্যদিকে হুমায়ুন আহমেদের দেবী সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। সামনের বছরে দুইটি বই প্রকাশের জন্য কাজ করছেন। যার মধ্যে সায়েন্স ফিকশনের তিনটা ভলিউমের মধ্যে প্রথমটি হল ‘দি পিসকিপার আবার নতুন করে শুরু’ এবং কবিতার বই ‘ফ্রিজে আইসক্রিম ছিল না’। অভির এবারের বিচ্ছিন্ন ফিকশনে স্থান পেয়েছে নগর জীবনের দীর্ঘশ্বাস, সমসাময়ীক মানুষের জীবনের উত্থান-পতন, ব্যাচলেরদের দীর্ঘশ্বাস, শহরের কথাসহ নানা বিষয় যা বইপ্রেমীদের নিরাশ করবে না বলে আশা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও লেখক-গবেষক সুমন সাজ্জাদ বলেন, সতীর্থ মেলার আয়োজনটি বেশ চমকপ্রদ। স্থানীয় মেলার মাধ্যমে স্থানীয় লেখক ও পাঠকের মধ্যে যেমন আন্তঃসম্পর্ক তৈরী হয়, ঠিক এই উদ্যেগের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখক ও পাঠকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরী হবে। তবে মেলাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হলে আরও ভাল হত। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষনার উৎকর্ষতা বাড়ার পাশাপশি আয়োজনের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সমস্যাটাও লাঘব হত।

মেলার আয়োজকদের অন্যতম সমন্বয়ক আবেদীন পুশকিন বলেন, প্রথমবারের মত এই মেলার আয়োজন করেছি। আশা করি এই বইমেলার মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন লেখকদের মধ্যে একটা সেতুবন্ধন তৈরী করবে। আর এই মেলা উপলক্ষ করেই তরুণ লেখকদের লেখায় প্রাণ আসবে। নতুন করে চিন্তা করতে শিখবে।

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com