সাংবাদিক মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড - Nobobarta.com

সাংবাদিক মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড

রাজধানীর মৎস্য ভবনের সামনে দৈনিক মানবজমিনের ফটোসাংবাদিক নাছির উদ্দিনকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দোষী ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্টকে ‘ক্লোজড’ ঘোষণা করেছে পুলিশ। দোষী ওই সার্জেন্টের নাম মুস্তাইন। জানা গেছে, বিকেল চারটার দিকে সাংবাদিক নাছির মোটরসাইকেলে অফিসে ফিরছিলেন। মৎস্য ভবনের সামনে আসার পর সার্জেন্ট মুস্তাইন তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে হেলমেট কোথায় জানতে চান। এ সময় সাংবাদিক নাছির জানান, তার হেলমেট চুরি হয়ে গেছে ৩ দিন আগে। শিগগিরই নতুন আরেকটি কিনবেন। কিন্তু সার্জেন্ট মুস্তাইন হেলমেট না থাকায় মামলা দেন।

এ নিয়ে বেশ কয়েকবার মামলা না দিতে অনুরোধ করলে ওই সার্জেন্ট গালিগালাজ করতে থাকেন। চড়থাপ্পড় ও মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি গেঞ্জি ধরে মৎস্য ভবনের সামনে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে যান। ওই সময়ে মুস্তাইন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবদুল খালেকের সামনেও তাকে চড় মারেন। পরে খবর পেয়ে সহকর্মীরা সাংবাদিক নাছিরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ কমিশনার রিফাত রহমান শামীম বলেন, সার্জেন্ট মুস্তাইনকে সাময়িকভাবে ক্লোজড করা হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরবর্তীতে কমিটির প্রতিবেদনে সে দোষী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমন ঘটনার নিন্দা জানাতে গিয়ে বোয়াফ এর প্রেসিডেন্ট কবীর চৌধুরী তন্ময় ফেসবুকে চিত্রিত ছবি দিয়ে লিখেছেন, এই পুলিশ যখন নিজেই অল্টো পথে হেলমেট বিহীন মটরসাইকেল চালিয়ে অপরাধ করে তখন কিন্তু কোনো ধরনের আইন থাকে না। সত্যিই অদ্ভুধ ঘোড়ার পিঠে বাংলাদেশ। এ দেশে সাধারণ আর মধ্যবিত্তদের জন্য যত্তসব আইন-কানুন। দেশের পুলিশ থেকে আরম্ভ করে সচিব যখন উল্টো পথে যায় তখন তাদের চাকুরীও যায় না আবার তাদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় না। মাঝখান থেকে চাকুরী যায় সেই অসহায় ড্রাইভারের।দেশে সড়ক পথে অবৈধ কিংবা বিশেষ ব্যক্তির চিরকুটে হাজার-হাজার বাস-ট্রাক চললেও সামান্য রিকশা ড্রাইভারকে ধরে মারপিটই শুধু করে না, তাদের শেষ সম্বল রিকশাটি পর্যন্ত বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ




টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com