,

ঐশ্বর্য রাইয়ের অজানা সাত

ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। ১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরী খেতাব অর্জন করে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন তিনি। ইতোমধ্যে বলিউডের সীমানা ছাড়িয়ে হলিউডেও জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছে তার।

তামিল সিনেমা ইরুবর (১৯৯৭) এর মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন রাই। তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সিনেমায় সাফল্য পান তামিল জিন্স সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৯৮ সালে।

তারপর সঞ্জয় লীলা বনসালী পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সনম সিনেমার মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এ অভিনেত্রী। তার কর্মজীবনে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ চল্লিশটিরও বেশি হিন্দী, ইংরেজি, তামিল, ও বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রী।

শুধু রূপ-সৌন্দর্য দিয়ে নয় বরং অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে তামাম দর্শকদের মাত করেছেন তিনি। তবে তার ক্যারিয়ার জীবনে ২০০৩-৫ সাল পর্যন্ত একটু বাজে কাটিয়েছেন। কিন্তু ২০০৬ সালের ধূম সিনেমায় অভিনয় করে খুব ভালোভাবেই অতিক্রম করেন এ সময়টা।

প্রেম জনিত বিষয় নিয়ে সালমান খানকে জড়িয়ে সংবাদের শিরোনাম হলেও অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করে রাইয়ের চলছে এখন দ্বিতীয় ইনিংস। এ জন্য মাঝে কিছুদিন অভিনয় থেকে দূরেও ছিলেন তিনি। সম্প্রতি ফের বলিউডে ফিরেছেন এ অভিনেত্রী। জনপ্রিয় এ অভিনেত্রীর অজানা কিছু তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রতিবেদন।

এক. প্রথম ভারতীয় হিসেবে কান সিনেমা উৎসবে বিচারকের ভূমিকায় দেখা যায় ঐশ্বর্যকে।

দুই. ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগলে সার্চ করলেই দেখা যাবে, ১৭ হাজারের বেশি ওয়েবসাইট রয়েছে শুধু ঐশ্বর্য রাইয়ের নামে।

তিন. প্রথম ভারতীয় হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় টিভি শো অপরাহ উইনফ্রের শোয়ে অতিথি হন ঐশ্বর্য।

চার. প্রথমবার পেনসিলের বিজ্ঞাপনে দেখা যায় ঐশ্বর্যকে। তখন তিনি নবম শ্রেণির ছাত্রী।

পাঁচ. হাতঘড়ির প্রতি দারুণ ভালোবাসা রয়েছে ঐশ্বর্যর। তার কালেকশন চমকে দেওয়ার মতো। তবে ঘড়ির তুলনায় গয়নার প্রতি আকর্ষণ তার অনেক কম।

ছয়. ২০০৫ সালে ঐশ্বর্যের মতো দেখতে বার্বি ডলের লিমিটেড এডিশন কালেকশন বাজারে আসে।

সাত. ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের ডাকনাম বা আদরের নাম গুল্লু।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com