,

কালজয়ি মহানায়ক সালমান শাহ-এর নির্মমভাবে হত্যার শাস্তি দাবি

শেখ মোহাম্মদ তানভীর হোসেন॥ (বিনোদন ডেস্ক ) #  ২০ বছর পর সালমান শাহ মানব কল্যান সংস্থার চেয়ারপার্সন নীলা চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলনের সাংবাদিকদের বলেন ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আমার ছেলে চৌধুরী মোঃ সালাম শাহরিয়ার (সালম শাহ) নিহত হয়েছিলেন। ২০ বছর ধরে আমি কোর্টের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছি কিন্তু আজও কোন সুরাহা পাইনি। কথিত আত্যহত্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আজও খুনিরা তৎপর রয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, করতে পারেন না। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

যা আজ দেশের ১৬ কোটি মানুষের অজানা নয়। ডিবি, সিআইডি, জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট সহ বার ইনভেষ্টিগেশন কে ধামাচাপা দেওয়া হয়। তিনি আরো বলেন চতুর্থ বারে মত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে র‌্যাব এ তদন্ত শুরু হলে অভাবনীয় ভাবে আমি নীলা চৌধুরী, সালমান শাহ্ এর জননী রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে বাধা প্রাপ্ত হই। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেনীর নাগরিক, আমার ছেলে ও স্বামীও একজন প্রথম শ্রেনীর নাগরিক হওয়া স্বত্ত্বেও আমার বিপক্ষে গিয়ে খুনিদের পক্ষে সাপোর্ট করা হচ্ছে। আইন বলে রাষ্ট্র পক্ষ বা সরকার পক্ষ ভিকটিম এর পক্ষে থাকবে। ভিকটিম যদি মামলা চালাতে অক্ষম হয় তবে সরকার মামলা চালাবে। সেখানে সরকারের পি,পি জনাব আব্দুল্লাহ আবু অহেতুকবাবে আমার তদন্তাদিন মামলার তদন্তে বাধার সৃষ্টি করেন।

গত ২২ সেপ্টেম্বর অদ্যাবদি জজ কোর্টে ৯ মাস ১১ বার শুনানীর পরও আমার মামলার রায় প্রকাশ করা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে আজ আমি আপনারা কলম সৈনিক জাতির বিবেক এর কাছে উপস্থিত হয়েছি। তিনি বলেন বর্তমান প্রজন্মের নতুন সাংবাদিকগন অনেক শক্তিশালী ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিচ্ছেন। আপনাদের কাছে সালমান হত্যার বিষয়ে অনেক কিছুই অজনা রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ যে, প্রথম ময়না তদন্তে এর ধারাবাহিকতায় ২য় ময়নাতদন্ত প্রভাবিত করে। তারপরও ময়না তদন্তের রিপোর্টেও একটি সুক্ষ ভূল রয়েছে, যা বিগত দিনের রিপোর্ট গুলোতে এরিয়া যাওয়া হয়েছে। সেটা হলো ফাসিঁর আত্মহত্যা হলে মানুষে ঘাড়ের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার কথা কিন্তু সালমান শাহ এর ঘাড়ের হাড় ভাঙ্গেনী। এমনকি সালমান শাহ্র শরীররে কোন ক্ষত চিহ্ন ছিল না যা আত্মহত্যা বলে ধরা যায়। খালি ইঞ্জেকশন পুশ করে এবং জেসকিন ইঞ্জেকশন দিয়ে, গলায় চাপ দিয়ে শাশরূদ্ধ করে তাঁকে হত্যা করা হয় এরকম আরও অনেক প্রমান রয়েছে।

কথিত জূলন্ত অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায় নাই, এমনকি তখন জুলন্ত ফ্যান আজ পর্যন্ত আলামত হিসাবে ধরা হয় নাই। পরিশেষে তিনি উপস্থিত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রিক মিলিডিয়া, অনলাই পত্রিকার সাংবাদিকদের বলেন ২২ বছর ঘটনা এভাবে আপনাদের সামনে লিখে বা মুখে বলে প্রকাশ করা সম্ভব নয় আপনাদের প্রশ্নের উত্তরে বলর চেষ্টা করবো। আমার ছেলে সালমান শাহ এর স্ত্রী সামিরা-কে বা তার পরিবারকে আমার পাশে কোন সময় দাড়াতে দেখিনি এমনকি সালমান শাহ্ এর ঘরে তার স্ত্রীকেও তার কাছে পাইনি। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী তাঁর বন্ধুর স্ত্রী হিসাবে ঘর সংসার করছে এটাকি পরকীয়া প্রমান করে না? আপনাদের যথাযথ সহায়তায় এবং বস্তুনিষ্ট লিখন ও মিডিয়া প্রকাশের মাধ্যমে সালমান শাহ্ এর হত্যার বিষয় সকলের সামনে প্রকাশ হোক এটাই আমার চাওয়া। আমি আইনের শাসনের কাছে শ্রদ্ধাশীল। বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে এক বিরল ইতিহাসের সৃষ্টি করেছেন যুদ্ধাপরাধিদের বিচার ও অন্যান্য বিচার করে। দেশের এই বরেণ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি সালমান শাহ মানব কল্যান সংস্থার চেয়ারপার্সন নীলা চৌধুরী এবং দেশের সালমান শাহ বক্ত মানুষ সুষ্টূ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত আসামীদের শাস্তির আওতায় এনে দোষী সবোস্থ করা হোক এটাই কামনা করছি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


Udoy Samaj

টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com