বৃহস্পতিবার, ২১ Jun ২০১৮, ১২:৪২ অপরাহ্ন



বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় বিপাকে বিএনপি!

বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় বিপাকে বিএনপি!

BNP



জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার ১০ দিন আগেই বিএনপি গঠনতন্ত্র থেকে ৭ নম্বর ধারাটি বাদ দেয়া হয়। এ নিয়ে এতোদিন তেমন কোনো আলোচনা না হলেও সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সরব হয়ে উঠেছেন রাজনীতিবিদসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা হয় তারেক রহমানকে। এ নিয়ে শুরু থেকেই আলোচনা-সমালোচনা চলছিলো। বির্তক হচ্ছিলো তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করতে গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা বাদ দেয়া নিয়ে। বিএনপির গঠনতন্ত্রে ৭ নম্বর ধারায় ‘কমিটির সদস্যপদের অযোগ্যতা’ শিরোনামে বলা আছে, ‘নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্যপদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থীপদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

তারা হলেন: 
(ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮-এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি।
(খ) দেউলিয়া,
(গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি,
(ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণার ১০ দিন আগে ৭ নম্বর ধারা বাদ দিয়ে বিএনপি দলীয় গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয়। ইসি বলছে, নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দল যদি সম্মেলন করে এবং তাতে যদি গঠনতন্ত্র সংশোধন করে, নিয়মানুযায়ী সেটা ইসিতে জমা দিতে হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু না থাকলে এ ক্ষেত্রে ইসির করণীয় তেমন কিছু নেই। কিন্তু দুই বছর আগে হওয়া বিএনপির জাতীয় সম্মেলনে এই ধারা সংশোধন বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি।

এদিকে খালেদার অবর্তমানে তারেক রহমানের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হওয়া এবং দলের ৭ধারা বাদ দেওয়া নিয়ে বেশ সরব হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা বলছেন, তারেক রহমানের মতো দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের হাতে নেতৃত্ব দিতেই ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় হবে এ সংবাদ প্রকাশের পর, রায়ের ১০ দিন আগে কী কারণে রাতের অন্ধকারে বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে সাত নম্বর ধারাটি বাতিল করা হলো। এর জবাব এখন পর্যন্ত তারা দেননি।

তিনি আরও বলেন, সাত ধারা তুলে দেওয়ায় বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন কারাগারে যাওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদে বসতে আদালতের রায়ে স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ, বিদেশে পলাতক তারেক রহমানের অসুবিধা হয়নি। কারণ তাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুর্নীতিবাজ নেতারা এ পদে আসতে পারবেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারেক রহমানের মতো দণ্ডিত, দুর্নীতিবাজ, পলাতককে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করার জন্যই কী তড়িঘড়ি করে দলের সাত ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে? আমি এ প্রশ্নের জবাব চাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দলের গঠনতন্ত্রে ছোট্ট একটা শব্দ বাদ দিতে হলেও কাউন্সিল লাগে। রাতের অন্ধকারে বাদ দেওয়া যায় না। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিষয়টি রাজনীতিতে নীতি নৈতিকতাহীনতার প্রতিফলন। দুর্নাম নেই, দণ্ডিত নয়, এমন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারত বিএনপি। তা না করে তারা গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন এনেছে। এর অর্থ হচ্ছে তারা জিয়া পরিবারের বাইরে যাবে না। তবে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, সরকার জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে খালেদা জিয়ার অবর্তমানে বিএনপিকে ভাঙা অথবা দলে জিয়া পরিবারের বিকল্প নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হতে পারে।

নতুন বির্তকে তারেকও

এদিকে খালেদার অবর্তমানে তারেক রহমানের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হওয়া এবং দলের ৭ধারা বাদ দেওয়া নিয়ে বেশ সরব হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা বলছেন, তারেক রহমানের মতো দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের হাতে নেতৃত্ব দিতেই ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় হবে এ সংবাদ প্রকাশের পর, রায়ের ১০ দিন আগে কী কারণে রাতের অন্ধকারে বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে সাত নম্বর ধারাটি বাতিল করা হলো। এর জবাব এখন পর্যন্ত তারা দেননি।

তিনি আরও বলেন, সাত ধারা তুলে দেওয়ায় বিএনপি আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন কারাগারে যাওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদে বসতে আদালতের রায়ে স্বীকৃত দুর্নীতিবাজ, বিদেশে পলাতক তারেক রহমানের অসুবিধা হয়নি। কারণ তাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুর্নীতিবাজ নেতারা এ পদে আসতে পারবেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারেক রহমানের মতো দণ্ডিত, দুর্নীতিবাজ, পলাতককে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করার জন্যই কী তড়িঘড়ি করে দলের সাত ধারা পরিবর্তন করা হয়েছে? আমি এ প্রশ্নের জবাব চাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দলের গঠনতন্ত্রে ছোট্ট একটা শব্দ বাদ দিতে হলেও কাউন্সিল লাগে। রাতের অন্ধকারে বাদ দেওয়া যায় না। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিষয়টি রাজনীতিতে নীতি নৈতিকতাহীনতার প্রতিফলন। দুর্নাম নেই, দণ্ডিত নয়, এমন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারত বিএনপি। তা না করে তারা গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন এনেছে। এর অর্থ হচ্ছে তারা জিয়া পরিবারের বাইরে যাবে না। তবে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা বলছেন, সরকার জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে খালেদা জিয়ার অবর্তমানে বিএনপিকে ভাঙা অথবা দলে জিয়া পরিবারের বিকল্প নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হতে পারে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media








© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com