সোমবার, ২১ মে ২০১৮, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

আজকের সেহরী ও ইফতার :
আজ ২০ মে রবিবার, রমজান- ৩, সেহরী : ৩-৪৪ মিনিট, ইফতার : ৬-৪০ মিনিট, ডাউনলোড করে নিতে পারেন পুরো ফিচার- ডাউনলোড


লক্ষ্মীপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম মুছিয়ে আ’লীগ নেতার নাম!

লক্ষ্মীপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম মুছিয়ে আ’লীগ নেতার নাম!



লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। রহিম তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয়রা জানায়, ২০০২ সালে ৫ শতাংশ জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় এ ক্লিনিক। ওই জমির দাতা তাজল হক। তিনি ভূঁইয়া পরিবারের সদস্য। ভূঁইয়া নামেই ওই ক্লিনিকের নাম করা হয় ভূঁইয়া কমিউনিটি ক্লিনিক। ওই ক্লিনিক পরিবর্তন করে রহিমগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিক রাখার অচেষ্টা করছে প্রভাবশালী আব্দুর রহিম। অথচ ওই গ্রামের সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, নুরানী মাদ্রাসা, মহিলা উন্নয়ন সংস্থা ও হাফিজিয়া কুরআন মাদ্রাসাসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠাগুলো ভূঁইয়া নামেই আছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রহিম তার নাম প্রচারের জন্য ভূঁইয়া বাজারের নাম পরিবর্তন করে রহিমগঞ্জ বাজার রাখে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। এখন আবার ভূঁইয়া কমিউটিনি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তনের চেষ্ট চালাচ্ছে। তার লোকজন ও ক্ষমতার ভয়ে এসব নিয়ে লড়ছেন না কেউ।

এবিষয়ে রবিবার (১৩ মে) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ভূঁইয়া পরিবারের মাষ্টার আবুল খায়ের ভূঁইয়া। এর আগে গত মঙ্গলবার (৮ মে) দুপুরে পূর্ব তোরাবগঞ্জ ভূঁইয়া গ্রাম ক্লিনিকের নামপলক ভাংচুর করা হয়। ক্লিনিকের নাম উঠিয়ে পেলার অভিযোগ উঠেছে ভুঁইয়া গ্রামের আব্দুল মতলবের ছেলে আব্দুর রহিম, আবু কালাম ও হেলালের বিরুদ্ধে। এসময় প্রকাশ্যে রং দিয়ে রহিমগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিক নাম লেখেছেন রহিম ও তার লোকজন। এতে স্থানীয় ও জমিদাতাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জমিদাতা ভূঁইয়া পরিবারের মাস্টার আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, আমার চাচাতো ভাই তাজল হক ভূঁইয়া ক্লিনিকের জন্য ৫ শতাংশ জমি দিয়েছেন। এ গ্রামের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভূঁইয়া পরিবারের জমিতে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে কিছু ক্ষমতাশীল ব্যক্তি আমাদের নাম পরিবর্তন করে তাদের নিজেদের নাম ব্যবহার করতে প্রায়তারা করছে। আমাদেরকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিয়ে আসছে। এ থেকে উত্তরনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ্ত কামনা করেন আবুল খায়ের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার নাজমুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এখনি খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে ক্লিনিকের নাম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই।

অভিযুক্ত রহিম মুঠফোনে বলেন, ক্লিনিকের নামপলকে বানান ভূল ছিল। আমি সঠিক বানাটা লেখার চেষ্টা করছি। বিষয়টি তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফয়সল আহম্মদ রতনও অবগত আছেন।

জানতে চাইলে তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সল আহম্মদ রতন বলেন, ওখানের বাজারটি আমাদের ইউনিয়নের কাগজপত্রে রহিমগঞ্জ বাজার নামে আছে। সে কারনে ক্লিনিকের নামও রহিমগঞ্জ লেখতে চাচ্ছেন রহিম। তবে দাপ্তরিতক কাগজপত্রে ক্লিনিকটি কি নামে আছে তা আমার সঠিক জানা নেই।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media








© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com