Lisa Curtis

২ মার্চ ঢাকায় আসছেন ট্রাম্পের সহকারী লিসা কার্টিস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর লিসা কার্টিস আগামী ২ মার্চ ঢাকায় আসছেন। তিনদিনের এ সফরে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখার জন্য কক্সবাজার যাবেন তিনি।

এই প্রথমবারের মতো ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচ্চপর্যায়ের একজন বাংলাদেশে আসছেন। এ সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তার মূল বৈঠকটি হবে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে। এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পাবে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি পাশে পেতে চায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে, চীন বিরোধী স্ট্র্যাটেজিতে যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশকে পাশে চায়। লিসা কার্টিসের সফরে এসব বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে আলোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি, সন্ত্রাসবাদ, নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক বিষয়েও আলোচনা হবে।

জানা যায়, ১৬ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে ওয়াশিংটনে লিসা কার্টিসের বৈঠক হয়। সেখানে তারা রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া, পররাষ্ট্র সচিব লিসার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি বিষয়ে জানতে চান। সে সময় পররাষ্ট্র সচিব লিসা কার্টিসকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান। পরে তার সফরের তারিখ নির্ধারিত হয়। লিসা কার্টিস মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একজন কর্মকর্তা। এ পরিষদ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। এজন্য লিসা কার্টিসের ঢাকা সফরে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।

জানা যায়, তার সফরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুটি জোরালোভাবে তোলা হবে। এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সবসময় সহায়তা দিয়ে আসছে। আরও সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়েও তারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের জেনারেলদের বিচারের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্র সোচ্চার বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, নিগৃহীত রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কার বিষয়টিও মার্কিন প্রশাসন উপলব্ধি করে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ




টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com