শনিবার, ২১ Jul ২০১৮, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

English Version


প্রকাশিতব্য বই নিয়ে যা বললেন তরুণ লেখক সাইফুল বাতেন টিটো

প্রকাশিতব্য বই নিয়ে যা বললেন তরুণ লেখক সাইফুল বাতেন টিটো

ফটোগ্রাফার : হোসাইন আতাহার সূর্য, লেখক: সাইফুল বাতেন টিটো



অনেক ছোট বেলায় যখন গল্পের বই পড়তাম তখন মনে হতো আমিও এমন লিখতে পারি। খাতা কলম নিয়ে বসে চেষ্টাও করতাম। কিন্তু কোনদিন ছাপাতে ইচ্ছে করেনি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পড়ার পরিমান বাড়লো। সেভেন এইটেই পরিচয় ঘটল রাশিয়ান সাহিত্যের সাথে। নিজের লেখা পড়ে হাসতাম, কাউকে দেখাতাম না। কিন্তু লেখা থামালাম না। ক্লাস নাইনে থাকতেই একটা রহস্য উপন্যাসের ৫০% লিখে ফেললাম। কলেজে উঠে সেই লেখা পড়ে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে গেলো। কিন্তু লেখা কখনও থামাইনি।

ছোট ছোট কবিতাও লিখেছিলাম কয়েকটা। প্রথম লেখা ছাপা হলো মঠবাড়িয়া সমাচারে। সম্ভবত ১৯৯৯ সালে। নিজের নাম, লেখা কবিতা ছাপার অক্ষরে দেখার ঐ অানন্দ ছিলো প্রেমিকার সাথে প্রথম সাক্ষাতের মতো আনন্দের। লেখার উৎসাহ বেড়ে গেলো। কিন্তু কোথাও ছাপতে দেয়ার কথা ভাবিনি কখনও। সম্ভবত ২০০৫/০৬ এ আর্মিতে থাকাকালিন অশ্রু নামে একটা ছোট গল্প লিখলাম। এক সহকর্মীকে দিলাম টাইপ করতে। সে টাইপ করে প্রিন্ট করে আমার কাছে নিয়ে এসে বলল লেখাটা যায়যায় দিনে পাঠাতে। আমি গাঁইগুই করতে লাগলাম। কেমন কি হয়েছে, ওসব পড়ে সম্পাদক বিরক্ত হবে। লেখাটা ছিলো সোলজারদের ফোনে কথা বলার অব্যবস্থাপনা নিয়ে। সহকর্মী সোহেলের চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত লেখাটা পাঠালাম। তবে ছদ্ম নামে। ওমা সেই লেখা যায়যায় দিন ছাপলো তাও সবার প্রথমে! আমি তো অবাক! সন্ধ্যার মধ্যে ব্যাটলিয়নের সবার পড়া শেষ!

পনের দিনের মধ্যে রাঙামাটি বান্দরবন খাড়াছড়িতে মোবাইল ফোনের ব্যবস্থা করলেন সেনাপ্রধান। তার পর যায়যায় দিনে আরেকটি লেখা পাঠালাম। পড়ে শফিক রেহমান ফোন দিলেন দেখা করতে বললেন। তার পর লিখেই চলেছি। সবাই বই ছাপাতে বলে। আমি বছর তিনেক আগ পর্যন্তও বইয়ের কথা ওভাবে ভাবিনি। কিন্তু দেখতে দেখতে লেখা বেড়েই চলেছে। ২০১৭’র বই মেলায় যখন বের করব ভাবলাম, ততদিনে সময় পেরিয়ে গেছে। এবার মনে হলো একটু আগেভাগে চেষ্টা করে দেখি। এগিয়ে এলেন অগ্রজ Shatabdi Kader ভাই। বললেন অামি প্রুফ দেখে দিচ্ছি। সাহস পেলাম। শেষ করে বললেন এবার প্রকাশকের সাথে যোগাযোগ কর, করলাম। কেন জানিনা প্রকাশক এক কথায় রাজি হয়ে গেলেন। প্রচ্ছদের ভাবনাটা আমার নিজের। জানিনা প্রকাশক কি বলবেন। ভাবনাটা ফুটিয়ে তুলছেন Sara Hossain বই প্রকশের পর দায়িত্ব বেড়ে যাবে আপনাদের যারা অামার লেখা পড়েন, পড়তে পছন্দ করেন, যারা চান আমি আরো লিখি। এখন আপনারা বইটা কিনলেই আমি লেখক হিসেবে বেঁচে থাকতে পারব। ধন্যবাদ ও ভালোবাসা সবার জন্য।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




ফুটবল স্কোর



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com