,

সস্তা এবং বাজারি লেখালেখিঃ হুমায়ূন আহমেদ থেকে কাশেম বিন আবুবাকারঃ প্রথম পর্ব

ফকির আবদুল মালেক # নিজে টুকটাক লেখালেখি করি বলে, আমাকে অনেকবার হতাশ কন্ঠের এই কথাগুলি শুনতে হয়েছে, ‘লেখালেখি করে কী হবে? কবি, সাহিত্যিকদের জীবনে টাকা-পয়সা হয় না। শেষে না হবে সংসার, না হবে সুন্দর জীবন।’

আসলেই তাই। অনেক বিখ্যাত লেখক, সাহিত্যিকদের কষ্টে দিন কাটানোর ইতিহাস আমাদের সামনে গর্বের সাথে উপস্থাপন করা হয়। অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণও করেছেন কেউ কেউ। তবে বর্তমানে এ অবস্থা কিছুটা বদলেছে। পরিস্থিতির ততোটা উন্নতি এখনও হয়নি যতোটা হলে লেখালেখিটাকে এ দেশে প্রধান পেশা হিসেবে নেয়া যায়। ব্যতিক্রম কিছু আছে। আমাদের এই আলোচনা তেমনি দুই জন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সুপার ডুপার হিট লেখককে নিয়ে। একজন হুমায়ূন আহমেদ আর অন্যজন কাশেম বিন আবুবাকার।

পৃথিবীর অনেক দেশেই প্রফেশনাল রাইটার আছেন। তারা লেখালেখি ছাড়া আর কিছুই করেন না। এবং এ করেই তাদের দিন দিব্যি কেটে যায়। এমনকি এদের কেউ কেউ চমকে ওঠার মতো ধনীও বটে। তাদের বই বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়। বই বিক্রির রেকর্ডও গড়েছেন অনেকে। ফলে লেখক স্বত্ব নিয়ে তাদের ভাবনা নেই। তারা লিখেই কোটিপতি।

বিশ্ব লেখালেখি থেকে আয়ের বিবরণ শুনে দেশে ফিরে আসব। ক’জন ধনী লেখককে নিয়ে লিখেছেন সাইফ বরকতুল্লাহ। আমরা তার থেকে নির্যাসটুকু দেখে নেই। লেখালেখি থেকে আয় ব্যাপারটা বেশ মজার, কি বলেন!

ধনী লেখকের কথা উঠলেই জে কে রাউলিংয়ের নাম উঠে আসে। তিনি বিশ্বের অন্যতম ধনী লেখক। ১৯৬৫ সালে যুক্তরাজ্যে জন্ম নেয়া এই লেখকের আয় কত অনুমান করুন তো? জানি পারবেন না! তাহলে শুনুন তার বার্ষিক আয় বাংলাদেশি টাকায় ১০৮ কোটি ৭২ লাখ ৯২ হাজার ৩৫ টাকা। কী, চোখ কপালে উঠে গেল! এবার আপনিই হিসাব করে তার দৈনিক আয় কত হয় বের করুন। আরেকটি মজার তথ্য দেই, তার এই আয় কিন্তু মোটামুটি একটি সিরিজ দিয়েই। নিশ্চয়ই অনুমান করতে পারছেন কোন সিরিজ? ‘হ্যারি পটার’ সিরিজ লিখেই তিনি এ পরিমাণ আয় করেন।

পাঠক চলুন, আমরা লেখক স্টিফেন কিংয়ের গল্পটা শুনি। আমেরিকায় জন্ম নেয়া স্টিফেন কিং-ও ধনী লেখকদের একজন। এই লেখকের ৫০টিরও অধিক বেস্ট সেলার উপন্যাস রয়েছে। যা থেকে আয় হয়েছে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া সিনেমার স্ক্রিপ্ট ও অন্যান্য লেখা মিলিয়ে স্টিফেন কিং ৪০০ বিলিয়ন ডলারের মালিক। এক হিসাব অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় বাংলাদেশি ১৩২ কোটি ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৬ টাকা।

জেমস প্যাটারসনকে বলা হয়, তার বই নাকি বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এ কি শুধুই কথার কথা? তা নয়, ২০০১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মুদ্রিত বই বিক্রির পরিসংখ্যান টেনে প্রকাশনা বিশ্লেষক সংস্থা নিলসেন এই তথ্য দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রাউলিংয়ের বই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণে বিক্রি হলেও, এখানে প্যাটারসন এগিয়ে। প্যাটারসনের বিগত ১৫ বছরে লেখা বইগুলো বাজারে হট কেক হিসেবে বিক্রি হয়েছে। তার গোয়েন্দা ধারাবাহিক ‘এলেক্স ক্রস’ এ পর্যন্ত তিন কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। ভাবা যায়! যেখানে এই বাংলাদেশে ৫০০ কপি বই বিক্রি করতে প্রকাশকদের নিরন্তর ঘাম ঝড়াতে হয়। জেমস প্যাটারসনের জন্ম ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ, নিউইয়র্কে। তার বার্ষিক আয় বাংলাদেশি ৬৯১ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার ৭৯৬ টাকা।

হুমায়ুন আহমেদের মতন জনপ্রিয় সাহিত্যিক এই বাংলাদেশে জন্মেনি, তা চোখ বুজেই বলে দেওয়া যায়। হুমায়ূন আহমেদের বই মানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ব্যাপকভাবে বিক্রিত হয় তার বই। এই বিক্রি হওয়াটা অনেকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে ভিন্নভাবে। আসিফ মহিউদ্দিনে লেখা হতে কিছু অংশ এখানে তুলে ধরছি।

” আমাদের দেশে বই প্রকাশ এবং বই বিক্রি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাঠক তৈরি এবং প্রতিবছর টন টন বই উৎপাদন করে আমাদের সাহিত্যিকগণ বর্তমানে প্রচুর টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন, লেখালেখিকে একটি লাভজনক ব্যাবসায় পরিণত করেছেন। একটা সময়ে আমরা বই কিনতাম নতুন চিন্তা, নতুন ভাবনা জানার জন্য, ইতিহাস দর্শন সাহিত্যের চমৎকার সব অংশকে ভালভাবে বোঝার জন্য। কিন্তু বর্তমানে বই প্রকাশ একটা গুরুত্ত্বপুর্ণ বাণিজ্য, সাহিত্য রীতিমত একটি পণ্যে পরিণত হয়েছে। এখন আমাদের মধ্যবিত্ত সমাজ বই কেনে ঘর সাজাবার উদ্দেশ্যে, দুপুর বেলা খাওয়া দাওয়া করে হালকা চটুল সুড়সুড়িমার্কা বিনোদন পেতে। হুমায়ুন আহমেদ-ইমদাদুল হক মিলন এরা বহুদিন ধরেই এই ধরণের পাঠক ধরবার চেষ্টায় লিপ্ত, এই ধরণের মানুষের সংখ্যা বেশি হবার কারণে সাহিত্যের সত্যিকারের পাঠকদের কথা বিবেচনা না করে আমাদের জনপ্রিয় সাহিত্যিকগণ বর্তমানে জনপ্রিয় ধারার উপন্যাস লিখে যাচ্ছেন। শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন আজাদ যার নাম দিয়ে ছিলেন ‘অপন্যাস’, আর এই ধরণের সাহিত্যিকের নাম দিয়েছিলেন ‘অপন্যাসিক’

আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ খুব শিক্ষিত নয়। তারা জটিল কথাবার্তা বোঝে না, সহজ সাধারণ জীবন যাপন করেন। এই ধরণের মানুষের মনস্তত্ত্বে হুমায়ুন আহমেদ নাড়া দিতে পারবেন খুব সহজেই। আসলে এই ধরণের পাঠক আকর্ষণ করতে খুব মেধাবী সাহিত্যিকের প্রয়োজন নেই, হুমায়ুন আহমেদের মেধা যে তাই অপাত্রে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।

আমাদের দেশে বই বিক্রি আর সাহিত্যকে ব্যবসায় পরিণত করার জন্যেও হুমায়ুন আহমেদকে অনেকাংশে দায়ী করা হয়। তিনি জনপ্রিয় থাকতে চেয়েছেন, সকল ধরণের পাঠক সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে অনেক পানি ঘোলাও করেছেন। আমরা বুঝি, জনপ্রিয়তার নেশা কাটানো মুশকিল, এবং দেশের প্রগতিশীলদের থেকে শুরু করে প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় হবার তার আকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে তাকে একজন পতিত বুদ্ধিজীবীতে পরিনত করছে কিনা, সেটাও ভেবে দেখবার সময় হয়েছে।”

আসিফ মহিউদ্দিন এর লেখা থেকে বুঝা যাচ্ছে শ্রদ্ধেয় হুমায়ূন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদকে সস্তা লেখক বলেছেন, বলেছেন অপন্যাসিক। আজাদ স্যার বিদগ্ধ মানুষ ছিলেন, প্রতিভাবান, পন্ডিত মানুষ ছিলেন তিনি খুব সহজেই যে কাউকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতেই পারেন। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি তিনি সকলকেই হেয় জ্ঞান করতেন। আমি সেদিকে যেতে চাই না। আমি যে বিষয়টিতে দৃষ্টি দিতে চাই তা হলো হুমায়ূন আহমেদের পাঠকের কোয়ালিটি নিয়ে। আসিফ মহিউদ্দিনের ভাষায় এরা সকলে সহজ সরল, অল্প শিক্ষিত, জটিলতা বুঝার ক্ষমতা তাদের নাই।

ওদিকে আরেক বিদগ্ধ সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন হুমায়ূন আহমেদের মুত্যু পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বাংলাদেশি পাঠকদের কোয়ালিটি নিম্নমানের বলে আখ্যা দিয়েছেন। এই তুলনায় কলিকাতার পাঠকরা বিদগ্ধ বলেছেন কারণ বাংলাদেশে হুমায়ূন আহমেদ কিংম্বদন্তিতুল্য জনপ্রিয়, পক্ষান্তরে সুনীল, শীর্ষেন্দুর অনেক প্রচেষ্টার পরও ওপার বাংলায় তেমন পাঠকপ্রিয়তা পান নি।

এ প্রসংগে সাদত হোসাইনের একটি লেখা থেকে কিছু নির্বাচিত অংশ কোড করছি।

“হুমায়ূন আহমেদ এর ‘সস্তা’ এবং ‘বাজারি’ লেখালেখি নিয়ে ‘সাহিত্য পণ্ডিত’ এবং ‘বোদ্ধাদের’ তুমুল সমালোচনা দেখে যারপর নাই আপ্লুত। হুমায়ূন আহমেদ নাকি তরল সাহিত্য রচনা করেছেন, যার ফলে দেশে অজস্র তরল পাঠকের সৃষ্টি হয়েছে, সেইসব তরল পাঠক ‘বিদগ্ধ’ সাহিত্যিকদের আগুন গরম সাহিত্য পাঠ করতে গেলে সেইসকল সুগভীর, আগুন-গরম, ক্ল্যাসিক এবং একই সাথে ধ্রুপদী সাহিত্যের তাপে নিমেষেই বাষ্পীভূত হয়ে মিলিয়ে যাবেন-

এইবার আলোচনায় আসি, হুমায়ূন আহমেদ নিজে কি কখনোই দাবী করেছেন যে তিনি কালজয়ী সাহিত্যিক?

করেন নি। তিনি বরং অকপটে তার সাহিত্য নিয়ে হাস্যরস করেছেন। প্রকাশ্যে বলেছেন, জ্বী জনাব, আমি বাজারী লেখা লিখছি, সস্তা উপন্যাস লিখছি।”

বিঃদ্রঃ হুমায়ূন আহমেদ একবার বাংলা সাহিত্যের এক অধ্যাপক, বিদগ্ধ সমালোচককে তার একটি গল্প পড়তে দিয়ে মতামত জানতে চাইলেন। অধ্যাপক গল্পটি পড়ে বললেন, ‘মন্দ নয়। তবে এতে গভীরতা কম’।

হুমায়ূন আহমেদ পাণ্ডুলিপিটি ফেরত নিয়ে পকেটে ভরতে ভরতে বললেন, ‘গল্পটি আমার নয়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আমি চরিত্রের নাম পাল্টে কপি করে দিয়েছিলে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায় যখন গভীরতার অভাব, তখন আমার লেখা অগভীর হলে আমার দুঃখ নেই’।

সাহিত্যের সস্তা পাঠক হিসেবে একটা সস্তা কথা বলি? – ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়’।**এবং ‘কারও মনোরঞ্জন করাও সাহিত্যের কাজ নয়, কাউকে শিক্ষা দেওয়াও নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের মোয়াও নয়, গুরু হাতের বেতও নয়’।**

আপনারা আসলে চাচ্ছেন, সাহিত্য রচিত হোক কেবল মাত্র আঁতেল এবং বোদ্ধা শ্রেণীর মনোরঞ্জনের জন্য, কিংবা জ্ঞানতাত্ত্বিক দর্শন চর্চা ও শিক্ষণীয় মেসেজ প্রদানের জন্য। এটি আসলে আধিপত্যবাদি হেজেমনিক প্রক্রিয়ায় একধনের ডিসকোর্স তৈরির চেষ্টা ছাড়া আর কিছু না।

বিঃদ্রঃ উপরের স্টার (**) চিহ্নিত উদ্ধৃতি দুটো আমার মতো সস্তা বাজারি পাঠকের নয়। উহা প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ থেকে নেয়া। কিঞ্চিত আশংকায় আছি, আপনাদের বিদগ্ধ মননশীলতায় এখন প্রমথ চৌধুরীও না আবার ‘সস্তা’ হয়ে যান!”

হুমায়ূন আহমেদ এর কাঠপেন্সিল থেকে হুবহু তুলে দিচ্ছি- তিনি লিখেছেন,
‘বাজারি লেখক- বিষয়টা আরও পরিস্কার করা দরকার। তেল-সাবান- পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ বিক্রেতা টাইপ লেখক। এদের বই বাজারে পাওয়া যায় বলেও বাজারি। যাদের বই বাজারে পাওয়া যায় না, তাদের বাড়িতে কার্টুন ভর্তি থাকে, তারা মহান লেখক, মুক্তবুদ্ধি লেখক, কমিটেড লেখক, সত্যসন্ধানী লেখক। তাঁদের বেশিরভাগের ধারণা তাঁরা কালজয় করে ফেলেছেন। এঁরা বাজারি লেখকদের কঠিন আক্রমণ করতে ভালোবাসেন।

বাংলা উপন্যাসের জন্ম হয় পাশ্চাত্য প্রভাবে। এর আদর্শ-ভিত্তি প্রতিষ্ঠা পায় বঙ্কিমের হাতে। রবীন্দ্রনাথের প্রথম দুটি উপন্যাস রাজর্ষি ও বউঠাকুরানীর হাট বঙ্কিম-প্রভাবিত। বাংলা উপন্যাস নতুন বাঁক নেয় চোখের বালির মাধ্যমে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের বিষয়বস্তুতে যোগ করেন নতুন মাত্রা। বঙ্কিমীধারার লেখক মীর মশাররফ হোসেন। মীর মশাররফ হোসেন অসাধারণ জীবনচেতনার বৃহত্তর সমাজ কাঠামোকে উপন্যাসে আনেন।

বিভিন্ন সময়ে নানা প্রতিভাবান লেখকদের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপন্যাস-সাহিত্যে -বিস্তৃতিও ঘটেছে অনেকদূর। সামাজিক বৈষম্য, বংশাভিমান, ভেদবিরোধী ব্যাপার, পীরপ্রথা, রোমাঞ্চকর অলৌকিকত্ব, ভাষা-শিক্ষা-সংস্কৃৃতি, অস্পৃশ্যতা, ধর্মন্ধাতা, অবরোধ, নারীনির্যাতন, কর্পোরেট পুঁজি ও অন্তর্জালবিষয়ক জটিলতা এ শতকে বাঙালি লেখকরা নানাভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সমাজচিন্তায় শৈথল্য এসেছে। সংস্কৃতি পাল্টেছে।

একুশ শতকের উপন্যাস এখন আরও জটিল বাস্তবতামুখর। এতে ধর্মান্ধতা, মনস্তত্ত্বও ভিন্ন মাত্রায় উপন্যাসে যুক্ত হয়েছে। ফলে জনপ্রিয়তার ক্ষেত্র উপন্যাসের কমেনি। বিশেষ করে হুমায়ূন আহমেদ এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত। তিনি বাঙালি পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধের মতো ধরে রাখতে পেরেছিলেন। নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগারে, শ্যামল ছায়া, কোথাও কেউ নেই, শ্রাবণ মেঘের দিন, এইসব দিনরাত্রি, আগুনের পরশমণি, জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি ব্যাপকভাবে পাঠকনন্দিত উপন্যাস।

কিন্তু এই সময়ে যে লেখক সবচেয়ে আলোচিত তিনি হুমায়ূন আহমেদ নন, তিনি কাশেম বিন আবুবাকার। এএফপি তাকে নিয়ে নিউজ করার আগে আমরা শুদ্ধবাধি লেখকরা অনেকেই তার নামই শুনি নি।

পরবর্তী পর্বে যা থাকবে

ব্যাপক জনপ্রিয় আরব্য উপন্যাস আলিফ লায়লা, সিন্দাবাদ, আলীবাবার চল্লিশ চোর
অনুপ্রেরনামূলক রোমান্স উপন্যাস
কাশেম বিন আবুবাকারের উপন্যাসের ক্যাটাগরী
হুময়ূন আহমেদ ও কাশেম বিন আবুবাকারের লেখা লেখির তুলনামূলক বিশ্লষণ
উপসংহার

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com