সোমবার, ২৩ Jul ২০১৮, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

English Version


একাদশ সংসদ নির্বাচনে মোতায়েন নিয়ে সিদ্ধান্ত আরো পরে : কে এম নূরুল হুদা

একাদশ সংসদ নির্বাচনে মোতায়েন নিয়ে সিদ্ধান্ত আরো পরে : কে এম নূরুল হুদা



একাদশ সংসদ নির্বাচনের অন্তত এক বছর বাকি থাকতেই আগাম সেনা মোতায়েন করা না করা নিয়ে মন্তব্য করতে চান না প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তিনি মঙ্গলবার বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে অতীতে সেনা মোতায়েন সব সময় ছিল। এখন একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে কি হবে না, কিংবা কীভাবে হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে হবে।”

কমিশন ভোটের এত আগে সেনা মোতায়েন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানান সিইসি। সেনা নিয়ে কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্যে অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি। “আগেও সেনা মোতায়েন ছিল। এবারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি; সেনা মোতায়েন হবে কিংবা সেনা মোতায়েন হবে না-এমন সিদ্ধান্ত এখনই বলা যাবে না। ভোটের আগে পরিস্থিতি বুঝে আমরা সিদ্ধান্ত জানাব,” বলেন নূরুল হুদা। সবার সঙ্গে সংলাপ শেষে ২৬ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনেও সিইসি বলেছেন, বিদ্যমান আইনেও সেনা মোতায়েনে কোনো বাধা না থাকলেও ভোটের সময়কার পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ বেসমারিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনী কর্মপরিধি কমিশনের সংলাপে তুলে ধরেছে। দলটি বলছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং ইসি নির্ধারিত ভোটের পরবর্তী সময়ের জন্য প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর ওপর ন্যস্ত থাকবে। “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে কোন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষাবাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ করা যাবে ১৮৯৮ সালের প্রণীত ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ থেকে ১৩১ ধারায় এবং সেনা বিধিমালা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ শিরোনামে সুস্পষ্টভাবে তার উল্লেখ রয়েছে।”

তবে বিএনপি বরাবরই চাইছে, ভোটে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়েই নামানো হোক সেনা সদস্যদের। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সশস্ত্রবাহিনী নিয়োগ দেয় ইসি। সশস্ত্র বাহিনীর কার্যপরিধির বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়, ফৌজদারি কার‌্যবিধির ১৩০ ও ১৩১ ধারা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ‘ইন্সট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর সপ্তম ও দশম অনুচ্ছেদের ক্ষমতা ও নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে। মোতায়েন করা সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের কাজ হবে নির্বাচনী কাজে ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় বেসামরিক প্রশাসনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় রহায়তা করা।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media




ফুটবল স্কোর



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com