,

সংসদ নির্বাচনে আগেই গতি বাড়ছে মেগা প্রকল্পের

আগামী সংসদ নির্বাচনে আগে সরকারের মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়নের গতি পাচ্ছে। নির্বাচনের আগে যে সব প্রকল্পর মেয়দ শেষ হওয়ার কথা সেগুলো দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব প্রকল্প মেয়াদ ২০১৯ সালের পরে মেয়াদ রয়েছে সেসব প্রকল্পে গতি এনে তা দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে এ প্রকল্পগুলো দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নে সচেষ্ট আছেন। ইতোমধ্যে মেগা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। দেশে পদ্মা সেতু প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ প্রকল্প, এমআরটি-৬ প্রকল্প, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পায়রা সমুদ্র বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ফাস্ট ট্র্যাক মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। যার সভাপতি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।

যেসব মেগা প্রকল্পর কাজে গাতি পাবে স্বপ্নের সেতু পদ্মা বহুমুখী সেতু : পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১৯৯৯ সালে সম্পাদিত প্রাক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী মাওয়া-জাজিরা অবস্থানে পদ্মা সেতু নির্মাণ কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক থেকে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। এ প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালের ৪ জুলাই মাওয়া অবস্থানে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ১৩ দিন পর ওই বছরের ১৯ জানুয়ারি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির প্রথম সভায় পদ্মা সেতুর বিস্তারিত ডিজাইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাওনসেল ইকোম’কে নিয়োগ দেয় সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণে ১০ হাজার ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল এ সেতুটি নির্মিত হচ্ছে কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে। সেতুর ওপর তলা দিয়ে যানবাহন ও নিচ তলা দিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। সেতুটির ইতমধ্যে একটি পিলার দৃশ্যমান হয়েছে।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প: এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তঃদেশীয় রেল যোগাযোগের উন্নয়ন করা। এ প্রকল্পের মেয়াদ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা এবং এতে নিজস্ব খাত (জিওবি) থেকে ১০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া চীনা সরকারের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতির অর্থায়নে ২৪ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। চলতি অর্থবছরে ৪ হাজার ১০২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক পরামর্শক দিয়ে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও সমীক্ষা ও বিস্তারিত ডিজাইন ও দরপত্র দলিল প্রণয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া পদ্মা সেতু রেল সংযোগ নির্মাণের জন্য মোট দৈর্ঘ্যকে চারটি সেকশনে বিভক্ত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-সেকশন- ১, ঢাকা-গেন্ডারিয়া; সেকশন-২, গেন্ডারিয়া-মাওয়া; সেকশন-৩, মাওয়া-ভাঙ্গা জংশন-ভাঙ্গা; সেকশন-৪, ভাঙ্গা জংশন-যশোর।

দোহাজারী হতে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে গুনদুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ: প্রকল্পটি শুরু হয়েছে গত ২০১০ সালের জুন মাসে এবং আগামী ২০২২ সালের মধ্যে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব (জিওবি) ৪ হাজার ৯১৯ দশমিক ৭ কোটি টাকা এবং এডিবির অর্থায়নে প্রকল্পের সাহায্যের পরিমাণ ১৩ হাজার ১১৫ দশমিক ৪১ কোটি টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পটিতে ৩১৩ দশমিক ১৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বিপরীতে প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ১ দশমিক ৭৪ ভাগ। চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পে ৬১৩ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে প্রকল্পটি সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভবিষ্যত বাস্তবায়ন অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে করিডরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন হবে। এতে আঞ্চলিক, উপআঞ্চলিক রেলযোগাযোগের ক্ষেত্রে সিল্ক রুট (চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ) ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে বিদ্যমান রেলপথটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প: পারমাণবিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গত ২০১১ সালে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তি (আইজিএ) প্রস্তুতিমূলক কাজের জন্য ২০১৩ সালে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্রেডিট চুক্তির ভিত্তিতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এই প্রকল্পের মেয়াদ মার্চ ২০১৩ থেকে জুন ২০১৭ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৫ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে জিওবি ১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা, প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি টাকা। এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত এ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে ৪ হাজার ৪০১ কোটি ২ লাখ টাকা।

এতে ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৮০ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৬১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্পটিতে দেশীয় ও আšর্জাতিক সকল বাধ্যবাধকতা বিবেচনায় এবং আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুসরণ করে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় কার্যাদি সম্পাদন করা হচ্ছে। এদিকে, মধ্যমেয়াদে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে গত ২৫ ডিসেম্বর জেনারেল কন্ট্রাক্ট ফর রূপপুর (এনপিপি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মূল্য ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১ দশমিক ২৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জিওবি হতে প্রদান করা হবে এবং অবশিষ্ট ৯০ শতাংশ বা ১১ দশমিক ৩৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রাশিয়ান ফেডারেশন হতে ঋণ গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রয়োজনে সাইটের নিকটবর্তী পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা চর হতে আরও ৮০০ একর জমি প্রকল্পের অনুকূলে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ঢাকা ম্যাস রাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (ডিএমআরটিডিপি) : ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন, নিরাপদ কার্যকরী দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা চালু এবং গণপরিবহন সুবিধা নিশ্চিতকরণে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় মেট্রোরেল তথা এমআরটি লাইন-৬ বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১২ হতে জুন ২০২৪ পর্যন্ত। দ্রুত প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও এবং ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মোট আটটি কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে। এই প্রকল্পে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। যার মধ্যে জিওবি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি ৪৮ লাখ এবং জাইকার অর্থায়নে প্রকল্পে সাহায্যের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৭৬০ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে এবং এতে আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ হাজার ২২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ: দেশের তৃতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ বন্দর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ২০১৮ সাল নাগাদ বন্দরটি পুরোদমে চালু হতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। এ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০১৮ সাল পর্যন্ত। প্রাথমিক কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রস্তুত করা প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, যা সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎ প্রকল্প : মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাগেরহাট জেলার রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) ৩০ আগস্ট ২০১০ সালে ৫০-৫০ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যৌথ একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটি জুলাই ২০১৪ থেকে জুন ২০২৩ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং ইসিএ ১০ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ১ দশমিক ৭৪ ভাগ এবং ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ২ দশমিক ১ ভাগ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। ভূমি প্রক্রিয়াকরণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ঢাল সুরক্ষা প্রভৃতি কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ। এছাড়া ইপিসি চুক্তির জন্য সময় নির্ধারণ না হওয়ায় এখনও মূল ইপিসি প্ল্যান্টের কাজ শুরু করা হয়নি। মধ্য মেয়াদে এ প্রকল্পে ১১৪ দশমিক ২১ মিলিয়ন ডলার যা ভারতীয় এক্সিম ব্যাংক এবং ইকুইটি থেকে নির্বাহ করা হবে।

এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ: দেশে বিদ্যমান গ্যাসের বিকল্প হিসেবে আমদানিকৃত তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পরিচালনার জন্য বছরে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এলএনজি ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের জন্য কাতারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে এলএনজির প্রকৃত মূল্য অনুধাবন করা সম্ভব হবে। কক্সবাজারে মহেশখালী সমুদ্র উপকূল হতে পশ্চিম দিকে গভীর সমুদ্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে যার এলএনজি ধারণ ক্ষমতা ১ লাখ ৩৮ হাজার ঘনমিটার এবং রি-গ্যাসিফিকেশন ক্ষমতা ৫০০ এমএমএসসিএফডি। প্রকল্পের বিস্তারিত ডিজাইন টার্মিনাল কোম্পানি কর্তৃক সম্পন্ন করা হচ্ছে।

প্রাক্কলিত ব্যয় হিসেবে এলএনজি আমদানি ও ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল পরিচালন ব্যয় বাবদ বছরে প্রায় ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং ভ্যাট, ট্যাক্স বাবদ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের মধ্যে চালু করা কথা রয়েছে। এরি মধ্যে সরকারের আরো কিছু নতুন বড় প্রকল্প নিয়েছে যেমন, দ্বীয় জমুনা সেতু , ঢাকা- রংপুর ফোরলেন, ঢাকা –সিলেট ফোরলেন, চট্টগ্রামে নদীর নিচে ট্রানেল নির্মানসহ কয়েক ডজন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এদিকে ঢাকা চট্টগ্রম ফোরলেন,মৌঁচাচাক – মালীবাগ ফ্লাইওভারর , হানিফ ফ্লাইওভারের মত বড় বড় প্রকল্পর কাজ শেষ করেছে সরকার।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


Udoy Samaj

টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com