,

সংখ্যালঘু কে ।। মুনীরুজ্জামান

সংখ্যালঘু শব্দটি ব্যবহারে শুধুমাত্র প্রবল আপত্তি নয়, রীতিমতো ঘৃণাবোধ হয়। প্রচলিত অর্থে যেভাবে শব্দটি ব্যবহার করা হয় তাতে শুধুমাত্র একটি রাষ্ট্রের নাগরিক বা সমাজের কিছুসংখ্যক মানুষকে অনৈতিকভাবে অন্যদের থেকে ভিন্নই করা হয় না, তাদের অপমানও করা হয়, তাদের প্রতি কেবল বৈষম্যমূলক আচরণই করা হয় না, তাদের সঙ্গে প্রতারণাও করা হয়।

বস্তুত বাংলা ভাষার এই শব্দটি যখন ধর্মীয় এবং জাতিগত অবস্থান থেকে ব্যবহার করা হয় তখন এর চেয়ে অমানবিক শব্দ আর কিছুই হতে পারে না। রাষ্ট্র, সমাজ এবং নাগরিকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে যতগুলো অপতৎপরতা তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে ধর্মীয় এবং জাতিগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির ব্যবহার।বস্তুত ধর্মীয় এবং জাতিগত অবস্থান থেকে সংখ্যালঘু শব্দটার ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত। কারণ ধর্মবিশ্বাস বা নৃতাত্তি্বক পরিচয়ের কারণে বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের কোন নাগরিককে ‘সংখ্যালঘু’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়নি।

এই ধরনটিই সমর্থন করে না বাংলাদেশের সংবিধান। বাংলাদেশের সংবিধানের ‘মৌলিক অনুচ্ছেদে’ ২৭ ধারায় বলা হয়েছে : ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী।’ একই অনুচ্ছেদের ২৮(১) ধারায় বলা হয়েছে : ‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।’ অথচ বাসত্মবে ধর্মীয় এবং নৃতাত্তি্বক অবস্থান থেকে ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির মতো একটি অসাংবিধানিক প্রত্যয় ব্যবহার করে রাষ্ট্রকে ধর্ম এবং জাতিগত বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। যেটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে শুধু সাংঘর্ষিকই নয় একেবারেই বৈরি। ফলে রাষ্ট্রের যে নাগরিক ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে না বা নৃতাত্তি্বকভাবে বাঙালি নয় তাদেরকে ভাবতে বাধ্য করা হচ্ছে যে তারা রাষ্ট্রের আর সব নাগকিদের মতো নয়, তাদের অধিকার কম এবং তাদের ‘ভয়ে-ভীত’ হয়ে এই রাষ্ট্রে বসবাস করতে হবে। তাদের ভাবতে বাধ্য করা হচ্ছে, তারা ‘সংখ্যালঘু’ সুতারাং রাষ্ট্রের অন্য নাগরিকদের তুলনায় তারা সমানভাবে আইনের আশ্রয় পাবেন না, বা কোন কোন ৰেত্রে তাদের অধিকারবঞ্চিত হতে হবে।

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন নাগরিকও এমনটি ভাবতে বাধ্য হবেন বা তাকে এমন ভাবনার দিকে ঠেলে দেয়া হবে, এ জন্য তো মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। এজন্য তো পাকিসত্মানি আদর্শকে পরাজিত করা হয়নি ১৯৭১ সালে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংখ্যালঘু ধারণাটি আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রের পাকিসত্মানি-বাঙালিরা অমুসলিম এবং আদিবাসী নাগরিকদের আবার ‘সংখ্যালঘু’ অভিধায় অভিহিত করবার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

বাংলাদেশের সংবিধান বলছে এবং অত্যনত্ম পরিষ্কার করে, দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছে_ বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিতে সংখ্যালঘু বলে কোন নাগরিক নেই। সংবিধানের এই প্রত্যয়টি প্রতিষ্ঠা করা মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশে বিশ্বাসী, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব।কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী সকল নাগরিক কি এই কাজটি করছেন? গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল নাগরিক কি এই কাজটি করছেন? মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে দাবিদার রাজনৈতিক দলগুলোই কি এই সাংবিধানিক দায়িত্বটি পালন করছে। ৰমতায় গিয়ে বা ৰমতার বাইরে থেকে মুক্তিযুদ্ধে ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দলগুলো কি রাষ্ট্রের সংবিধানের ২৭ এবং ২৮ ধারা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করবার ব্যাপারে কোন ভূমিকা রাখছে? আমরা জানি সবগুলো প্রশ্নের জবাব হচ্ছে_ না। আর এই ‘না’-এর সুযোগে দেশে তৈরি হচ্ছে প্রকৃতই একদল ‘সংখ্যালঘু’।কারা এই সংখ্যালঘু? ধর্মীয় জঙ্গিদের অস্ত্রের আঘাতে সদ্য নিহত ড. অভিজিৎ রায়, জঙ্গি হামলায় নিহত রাজীব হয়দার, ধর্মীয় জঙ্গিদের অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত ড. হুমায়ুন আজাদ, হেফাজতি জঙ্গিদের দ্বারা আক্রানত্ম সাংবাদিক নাদিয়া শারমিনরা এই দেশের প্রকৃত সংখ্যালঘু। যারা মুক্ত চিনত্মায় বিশ্বাস করে। মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। চিনত্মার স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। ফ্রি প্রেস বা সংবাদপত্র-গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।

সেক্যুলারিজম-এ বিশ্বাস করে। যারা চিনত্মায়, লেখায়, বক্তব্যে এবং সংগঠিত তৎপরতায় জঙ্গিবাদ- মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতার বিরম্নদ্ধে আপসহীন লড়াই করছে তাদেরকেই এই দেশে প্রকৃত সংখ্যালঘু বানাবার চেষ্টা চলছে। আক্রমণ করা হচ্ছে মুক্তচিনত্মার মানুষদের। কারণ তারা জঙ্গিদের জন্য, মৌলবাদীদের জন্য, সাম্প্রদায়িক শক্তির জন্য বিপদ। মুক্ত চিনত্মা যতটা আলো ছড়াতে সৰম হবে সমাজ-রাষ্ট্র-রাজনীতিতে, যত শক্তিশালী হবে, জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা তত দুর্বল হবে। ততই পরাজতি হতে থাকবে অন্ধকারের এই সব শক্তি। সেই কারণে মুক্তচিনত্মার মানুষদের বিচ্ছিন্ন করে, সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘সংখ্যালঘু’তে পরিণত করার অবিরাম চেষ্টা চলছে।চেষ্টা যে শুধু জামায়াতে ইসলাম এবং মৌলবাদী জঙ্গিরাই করছে, সাম্প্রদায়িক শক্তিরাই করছে তা নয়। বাংলাদেশের ট্র্যাজেডি হলো মূলধারার রাজনীতির দিক থেকে পরোৰভাবে হলেও এই ধরনের চেষ্টার কমতি নেই।

আমরা যদি সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী বিশেস্নষণ করি তাহলে দেখা যাবে, এই সংশোধনীতে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অধিকার যেটা সংবিধান কাটাছেঁড়া করে জিয়াউর রহমান অনত্মর্ভুক্ত করেছিল সেটা অৰুণ্ন রাখা হয়েছে। আমরা আরও দেখবো সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদ সংবিধানে যে ‘রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম’-এর বিধানটি অনত্মর্ভুক্ত করেছিল সেটাও অৰুণ্ন রাখা হয়েছে। অথচ সংবিধানকে সহজেই এই দুটি ধারা থেকে মুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। মহামান্য আদালতই সংবিধানের পঞ্চম এবং সপ্তম সংশোধনী নাকচ করে দিয়ে এই সুযোগটি তৈরি করে দিয়েছিলেন।

কিন্তু মহাজোট সরকার মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার এই সুবর্ণ সুযোগটি গ্রহণ করেনি। কোন বিবেচনা থেকে করেনি সেই ব্যাখ্যাও দেশবাসীর কাছে দেয়া হয়নি। ধারণা করা যায় জামায়াতে ইসলামী নামের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, মৌলবাদী- জঙ্গিবাদীদের মাদার অর্গানাইজেশন কট্টর সাম্প্রদায়িক দলটিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে রাখা, এবং সম্ভবত আরব দেশগুলোর চাপের ভয়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এই মৌলিক নীতিটি গ্রহণ করা হয়েছিল ‘৭২-এর সংবিধানে পুরোপুরিভাবে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও। এই একটি সিদ্ধানত্মই এই দেশে জামায়াতে ইসলামীসহ মুক্তচিনত্মাবিরোধী সব জঙ্গি-মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তির সামাজিক-রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির দরজাটি খোলাই রাখা হলো, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুশতাক-জিয়া মিলে যে দরজাটি খুলেছিল। এই প্রশ্নে মুশতাক-জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার অবস্থানের সঙ্গে মহাজোট সরকারের অবস্থানের কোন বাসত্মব তফাত আর থাকলো না। বস্তুত মুশতাক-জিয়া-এরশাদ গং যে ৰেত্রটি তৈরি করেছে ‘৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকে, একটি প্রশ্নে সেই ৰেত্রটিকেই ধরে রাখল মহাজোট সরকার। এর পরিণতি আমরা দেখছি মুক্তচিনত্মার মানুষদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ এবং হত্যার ঘটনায়।

গত শুক্রবার ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রমেশচন্দ্র মজুমদার হলে ড. অভিজিৎ হত্যার প্রতিবাদে একটি নাগরিক সভা হয়ে গেল। মুক্তচিনত্মার মানুষদের যে আসলেই এদেশে ‘সংখ্যালঘু’তে পরিণত করা হয়েছে এটা তার আরেকটি দৃষ্টানত্ম। ড. অভিজিৎ হত্যা বা রাজীব হায়দার হত্যা অথবা নাদিয়া শারমিনদের ওপর হামলাকারীদের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল খোলা আকাশের নিচে। সেটা করতে হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের ভেতরে বদ্ধ অবস্থায়। এর জন্য সংখ্যালঘু মুক্তচিনত্মার মানুষদের পরাজয় বা ব্যর্থতা কতখানি এবং ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর সাফল্য কতখানি সেটা ভেবে দেখবার প্রয়োজন রয়েছে বৈকি।নাগরিক সমাজের প্রতিবাদ সভায় যাওয়ার সৌভাগ্য আমারও হয়েছিল। বক্তাদের বক্তব্য শোনার সৌভাগ্যও আমার হয়েছিল। সেই নাগরিক প্রতিবাদ সভায় ৰমতাসীন মহাজোটের প্রধান দলটির একজন বড় নেতা তার বক্তব্যে বললেন, ‘মৌলবাদ অপছন্দ করেন না।’ কেন বললেন আমার মতো মূর্খ লোকের সেটা বোধগম্য হলো না। এই বক্তব্যটি সেখানে প্রাসঙ্গিকও ছিল না। তিনি বা তার দল যে মৌলবাদকে অতিশয় পছন্দ করছেন এখন সেটা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীই প্রমাণ করেছে।

যে আওয়ামী লীগ ১৯৭২ সালের সংবিধান জাতিকে উপহার দিয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে, সেই আওয়ামী লীগই পুনরম্নদ্ধারের সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও ‘৭২ এর সংবিধান নাকচ করে দিল (অবশ্য নেতৃত্ব ছিল ভিন্ন), এর চেয়ে বড় রাজনৈতিক ট্র্যাজেডি আর কি হতে পারে। আর কিছু না হোক মুক্তিযুদ্ধবিরোধী এবং জঙ্গিবাদী-মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তির বিজয়টা যে সামান্য নয় সেটা আমাদের স্বীকার করতেই হবে।আগেই বলেছি বড় দলের বড় নেতার মুখে মৌলবাদ সমর্থনে যুক্তি শুনে আমার মতো মূর্খ কিছুই বুঝতে পারেনি। পরে এসে নানা বই, বিশেষ করে রাজনৈতিক অভিধান এবং সাধারণ অভিধান ঘেঁটে মৌলবাদ সম্পর্কে একটি ধারণা নেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। ইইঈ ঊহমষরংয উরপঃরড়হধৎু লিখেছে : ঋঁহফধসবহঃধষরংস রং নবষরবভ রহ ঃযব ড়ৎরমরহধষ ভড়ৎস ড়ভ ধ ৎবষরমরড়হ, রিঃযড়ঁঃ ধপপবঢ়ঃরহম ধহু ষধঃবৎ রফবধং. (চধমব ৪৫৬, ১৯৯৩ বফরঃরড়হ). পশ্চিমবঙ্গের সৌরেন্দ্রমোহন গাঙ্গোপাধ্যায় বিরচিত রাজনীতির অভিধান লিখেছে : মৌলবাদ কোন ধর্মের অনত্মর্গত আন্দোলন যার লৰ্য হলো সেইসব মূল নীতি ও নির্দেশসমূহের আপসহীন সংরৰণ যেগুলির ভিত্তিতে সেই ধর্ম গড়ে উঠেছে এবং বাইরে থেকে অন্য কোন সামাজিক ও নৈতিক রীতিনীতি সঞ্চারের বিরোধিতা করা। (পৃষ্ঠা-২৫৬, আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৯৭ সংস্করণ।) দৃষ্টানত্ম আর না বাড়িয়েই বলা যায় : যেসব মূলনীতি ও নির্দেশসমূহের ভিত্তিতে কোন ধর্ম গড়ে উঠেছে আপসহীনভাবে সেগুলোকে সংরৰণ করা এবং বাইরে থেকে কোন ধরনের মতামত বা রীতিনীতি গ্রহণ না করার কট্টর অবস্থানই মৌলবাদ।

মৌলবাদের এই ধারণা থেকেই যে কঠোর ধর্মীয় জঙ্গিবাদের উৎপত্তি সেটা আমার মতো বুদ্ধিহীন মানুষও বুঝতে পারছে। আর বড় দলের বড় নেতা বুঝতে পারবেন না সেটা কি করে হয়? নাকি ‘মৌলবাদ’-এর পৰে অবস্থানই দলের নীতি? আমাদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হলো না।কথায় আছে কোন বিষয় বা ধারণা অথবা চিনত্মাকে যদি দুর্বল করতে হয় সেটা সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান সৃষ্টি করতে পারলেই সফল হওয়া যাবে। আমাদের বন্ধুটি মুক্ত চিনত্মা বা চিনত্মার স্বাধীনতা অথবা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যে ধারণা সেটা সম্পর্কে শ্রোতাদের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির  লক্ষ্যে মৌলবাদের পৰে সাফাই গেয়েছিলেন কি-না জানি না। তবে তিনি মৌলবাদ বলতে মতান্ধতা বোঝাতে চেয়েছিলেন কি-না সেটাও আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়নি।বিপদটা এখানেই, যখন এরকম একটি অবস্থান থেকে মৌলবাদকে সমর্থন দিয়ে বক্তব্য রাখা হয় তখন মুক্তচিনত্মার মানুষরা বিভ্রানত্ম হয়, দুর্বল হয় চিনত্মার স্বাধীনতার পৰের শক্তি, অসহায় হয় মুক্ত চিনত্মার মানুষরা, তারাই হয়ে যায় প্রকৃত সংখ্যালঘু।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


Udoy Samaj

টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com