,

অ্যান্ডারসনই শেষ করে দিলেন শ্রীলঙ্কাকে

হেডিংলি টেস্টে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৯৮। শ্রীলঙ্কা পরের দুই ইনিংস মিলেও সেটি করতে পারল না। প্রথম ইনিংসে ৯১ রানে অলআউট হওয়ার পর কাল দ্বিতীয় ইনিংসেও ১১৯ রানে গুটিয়ে গেছে। ইনিংস ও ৮৮ রানে হেডিংলি টেস্ট জয়—সিরিজটা এর চেয়ে ভালোভাবে আর শুরু করতে পারত না ইংল্যান্ড। ম্যাচ শেষে অ্যালিস্টার কুক সবার আগে ধন্যবাদ কাকে দেবেন? অন্তত পরশু ও কাল সেটি অবশ্যই জেমস অ্যান্ডারসনের প্রাপ্য। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর কালও নিয়েছেন ৫ উইকেট। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কোনো ইংলিশ পেসারের এক টেস্টে ১০ উইকেট নেওয়ারই কীর্তি এই প্রথম।

পরশুর মতো কালকের দিনটাও শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানদের অসহায় আত্মসমর্পণের গল্প। উইকেটের পেছনেই সবচেয়ে বেশি আউট হয়েছেন তাঁরা, আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে উইকেটকিপার জনি বেয়ারস্টোর হাতে। দুই ইনিংস মিলে নয়টি ক্যাচ নিয়েছেন ইংলিশ উইকেটকিপার। এক টেস্টে কোনো উইকেটকিপারের এর চেয়ে বেশি ডিসমিসালের রেকর্ড আছে মাত্র চারটি। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরিও পেয়েছিলেন বেয়ারস্টো। কুক নিশ্চয়ই তাঁকেও আলাদা করে ধন্যবাদ দিতে ভুলে যাবেন না! অ্যান্ডারসন নন, বেয়ারস্টোই হয়েছেন ম্যাচসেরা।

তবে কুকের নিজের সামান্য খচখচানি থাকতে পারে। আর ২০ রান করলেই ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলতেন কুক। প্রথম ইনিংসে ১৬ রানে আউট হয়েছেন, দ্বিতীয় ইনিংসে সেটি ছুঁয়ে ফেলতেই পারতেন। কিন্তু ‘বেরসিক’ শ্রীলঙ্কার জন্য তাঁর অপেক্ষাটা অন্তত দ্বিতীয় টেস্ট পর্যন্ত গেল। বৃষ্টি কাল বার বারই বাগড়া দিয়েছে। খেলা শুরু হতেই দেরি হয়েছে, চা-বিরতি পর্যন্ত খেলা হয়েছে মাত্র ৩৪ ওভার। কিন্তু শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করার জন্য সেটিই যথেষ্ট বানিয়ে ফেলেছেন ইংলিশ বোলাররা। শ্রীলঙ্কার হয়ে যা একটু প্রতিরোধ গড়তে পেরেছেন শুধু কুশল মেন্ডিস। ওপেনিংয়ে নেমে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছেন, ততক্ষণে পুরো ম্যাচে দলের হয়ে একমাত্র ফিফটি হয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান থিরিমান্নের (১৬), দুই অঙ্কই ছুঁতে পেরেছেন মাত্র তিন জন।

ইএসপিএন-ক্রিকইনফো।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com