,

গণতন্ত্র মুক্তি দিবস আজ

১৯৯০ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ছাত্র-গণতন্ত্রকামী জনতার, প্রতিরোধ আন্দোলন, উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হয় সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদের। আর এ পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের লেবাসে দীর্ঘ সামরিক শাসনের অবসান হয়, মুক্তি পায় কলঙ্কিত গণতন্ত্র। ১৯৮২ সালের এই দিনে এরশাদ অবৈধ পথে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন কায়েম করেন। কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক নেতা নিজেদের দল ছেড়ে ক্ষমতার ভাগ নিতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দেন।

১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ছাত্রসমাজ এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। রাজপথে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয়, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় এবং সিপিবি, জাসদ (ইনু), ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্বে ৫ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে প্রাণ দিতে হয় নূর হোসেন, ডা. মিলনসহ নাম অজানা অনেক অকুতোভয় মানুষকে। রক্তের সিঁড়ি বেয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকার রাজপথ।

এ সময় তীব্র হয় গণআন্দোলন, শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। সামরিক শিকলে বন্দী গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হয় ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর। সেদিনই ৩টি জোট ঐক্যবদ্ধভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা ঘোষণা করে। পতন হয় অবৈধ পথে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের। গণতন্ত্র মুক্তি দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের ভিত্তকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।’

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


Udoy Samaj

টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com