,

ভালোবাসার বোঝা!

অমানবিক শুনালেও সত্যি বলতে হয়, এ বোঝা বাংলাদেশ বইবে কেমন করে!!! উপরের ছবিটার পোস্টের নিচে এমন মন্তব্যই লিখেছেন সাংবাদিক হক ফারুক আহমেদ (Haque Faruk Ahmed)। আরেক তরুণ সাংবাদিক মাজেদুল নয়ন (Mazadul Noyon) সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তিনি রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে তার ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করেন।

Kabir Chowdhury Tanmoy ফেসবুকে লিখেছেন, ছেলেটির নাম মিজান। এসেছে মিয়ানমার থেকে। এক কাঁধে ৮৭ বছরের মা, আরেক কাঁধে ৯৬ বছরের বাবা। টানা পাঁচ দিন না খেয়ে দীর্ঘ ৩৫ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অবশেষে বাংলাদেশে এসেছে তাঁদের জীবন বাঁচাতে। সাধারণরা সব সময় অসাধারণ কিছু সৃষ্টি করে যা অসাধারণ কিছু ব্যক্তিদের শিক্ষার বা অনুকরণ করার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ধন্যবাদ মিজান। শত প্রতিকূলতা থাকা সত্বেও তোমাদের জন্যই শেখ হাসিনা সীমান্ত শিথিল করেছে।

ছবিতে লেখেন, A Rohingya son carried his parents when he was fleeing from Rakhain to Teknaf. (রাখাইন থেকে টেকনাফে পালিয়ে আসার সময় এক রোহিঙ্গা সন্তান তার বাবা ও মাকে নিয়ে আসছেন।) রাত পৌনে ১১টার দিকে ওই ছবিটাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) শেয়ার করেছেন সংবাদকর্মী কাজল কেয়া (Kajol Keya)। তিনি ছবির শিরোনাম দিয়েছেন, It’s call family love. (এটাই পরিবারের ভালোবাসা)।

নিজ দেশ মিয়ানমারে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে বিপুলসংখ্যক অসহায় রোহিঙ্গার স্রোত বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। বিপুল সংখ্যক এই শরণার্থীর বোঝা বহনের মতো অবস্থায় আমরা নেই। সে কারণেই মারাত্মক সংকটের সম্মুখীন হতে যাচ্ছি। তারপরেও অসহায় মানুষের দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়ার মানবিক বাংলাদেশ দেখছে বিশ্ব। ফেসবুকে সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষের পোস্ট করা রোহিঙ্গাদের জীবনের এসব ছবি আমাদের ব্যথিত করে, কষ্ট দেয়, অনুভূতিশীল করে তোলে। তাই আমরা মানবতার দুহাত বাড়িয়ে দিই। ‘ভালোবাসার বোঝা’ বহনের সক্ষমতা খুঁজি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আরও অন্যান্য সংবাদ


টুইটর




Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com