বৃহস্পতিবার, ২১ Jun ২০১৮, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন



বৈশাখী উৎসব ঘিরে লেনদেন ১২ হাজার কোটি!

বৈশাখী উৎসব ঘিরে লেনদেন ১২ হাজার কোটি!



উৎসব আয়োজনে নববর্ষকে বরণ করে নিল গোটা দেশ। পহেলা বৈশাখের রং গায়ে মেখে মানুষের ঢল নেমেছিল মঙ্গল শোভা যাত্রায়। সবার প্রত্যাশা, নতুন বছরে নতুন গতিতে এগিয়ে যাক, বাংলাদেশ। এসেছে নতুন দিন। রঙে রঙে হলো যে রঙিন। ১৪২৪-এর দুঃস্বপ্নগুলো দূরে থাক, সুসময়কে সঙ্গে চলুক ১৪২৫-এর সাথে।

এবারের শোভাযাত্রায় খানিকটা ছিল ভিন্নরুপ। অন্যবারের মতো গ্রাম বাংলার নানা উপকরণ হাতে নিয়ে নেচে গেয়ে ওঠার সেই চিত্র দেখা যায়নি। তবে উল্লাস ও উৎসাহের কমতি ছিল না। বৈশাখী উৎসবের ব্যাপকতা গ্রাম-শহর সবখানে। বৈশাখ ঘিরে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিও বেড়েছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশাখের অর্থনীতির আকার এখন ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ ভাতা দেয়া হলে বৈশাখী অর্থনীতি আরো চাঙ্গা হবে।

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। উৎসব মানেই বিকিকিনি। ফুটপাত থেকে নামিদামি শপিংমল- সবখানেই তরুণ-তরুণীর ভিড়। লোভনীয় অফারে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টাও ছিল নানা প্রতিষ্ঠানে। বৈশাখকে ঘিরে বিভিন্ন মেলায় কেনাকাটা চলবে আরো কিছুদিন। এদিকে অনলাইনে কেনাকাটাতেও আগ্রহ বেড়েছিল। পিছিয়ে ছিল না ফুল, মিষ্টি, কার্ড, মৃৎশিল্প ও গহনার ব্যবসায়ীরা। গ্রাম থেকে শহর সবখানেই বৈশাখ ঘিরে জমজমাট ব্যবসা। সবকিছু মিলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ায় অর্থনীতিতে এ গতি।

সরকারের পাশাপাশি কিছু কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও মিলেছে বৈশাখী বোনাস। এতে কয়েকশ’ কোটি টাকা যোগ হচ্ছে দেশের অর্থনীতিতে। ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও মজুদ করা ইলিশ বাজারজাত করেছেন ব্যবসায়ীরা। রাষ্ট্রীয়ভাবে সারাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনে সচল করেছে বৈশাখকেন্দ্রিক অর্থনীতি। হালখাতার সংস্কৃতি গ্রামীণ অর্থনীতিকেও চাঙ্গা করেছে। শহরেও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেছে হালখাতা। এতে অর্থনীতিতে যেন আলাদা মাত্রা যোগ হয়েছিল। অবশ্য এ প্রচলনটা বেশ আগে থেকেই।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media








© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com